চট্টগ্রামের ১০ উইকেটের জয়, পাত্তাই পেল না ঢাকা

বিপিএল
অ্যাডাম রসিংটন ও নাইম শেখ, বিসিবি
অ্যাডাম রসিংটন ও নাইম শেখ, বিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে পাত্তাই পায়নি ঢাকা ক্যাপিটালস। আগে ব্যাট করে তানভির ইসলাম ও শরিফুল ইসলামের তোপে মাত্র ১২২ রানে অল আউট হয়ে যায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। বাকি কাজটা সেরেছেন ব্যাটাররা। নাইম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটনের হাফ সেঞ্চুরিতে সহজ জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম। ঢাকাকে ১০ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের দুইটিতে জয় তুলে নিয়েছে শেখ মেহেদীর দলটি।

নাইম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিতে খেলেছেন ৩৪ বল। খানিক বাদে ৩১ বলে হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছান রসিংটনও। বাকি সময়টায় চট্টগ্রামকে কোনো উইকেট হারাতে দেননি এই দুই ওপেনার। নাইম ৪০ বলে ৭টি চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৫৪ রান করে। অন্যদিকে রসিংটন অপরাজিত ছিলেন ৩৬ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলে। তিনি ২ ছক্কার সঙ্গে হাঁকিয়েছেন ৯টি চার। দুজনের ব্যাটে ৪৪ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম।

ঢাকার বিপক্ষে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক মেহেদী। দলের বোলাররা অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে বেশু সময় নেননি। ইনিংসের প্রথম ওভারেই শরিফুল ইসলাম সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসানকে।

এরপর জুবাইদ আকবরী ও উসমান খান মিলে ঢাকার ইনিংসের হাল ধরার চেষ্টা করেন। তাদের ২৬ রানের জুটি ভাঙে আকবরি ফিরে গেলে। তাকেও আউট করেন শরিফুল। এরপর শুরু হয় ঢাকার ব্যাটারদের আসা যাওয়া। তারা দলীয় ৪৬ রানেই আরও ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে।

বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে ঢাকার ব্যাটারদের চেপে ধরেছিলেন তানভির। বাঁহাতি এই স্পিনার ৪ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচ করে নেন ৩ উইকেট। অন্যদিকে অধিনায়ক মেহেদী ২ উইকেট নেন ৩৪ রানে। শেষদিকে ঢাকার সংগ্রহ একশ পার করতে বড় ভূমিকা রাখেন নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দুজনে অষ্টম উইকেটে ৪৮ রানের জুটি গড়েন। এই জুটি ভাঙে নাসির ১৭ রান করে শরিফুলের শিকার হলে।

এরপর তাসকিন আহমেদ ৫ রান করে আমের জামালের শিকার হন। শেষ পর্যন্ত সাইফউদ্দিনের অপরাজিত ৩৩ রানের ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি নিশ্চিত করে ঢাকা। শরিফুল ৪ ওভারে খরচ করেছেন মোটে ১৮ রান। আর নিয়েছেন ৩টি উইকেট। শেষ ওভারে সালমান মির্জা রান আউট হলে ঢাকার ইনিংস গুটিয়ে যায় ১২২ রানে।

আরো পড়ুন: