প্রথম দিনের ১৬ রান নিয়ে খেলতে নেমে স্কোরবোর্ডে আর ১২ রান যোগ করতেই প্রথম উইকেট হারায় নর্থ জোন। ১৫ রান করে পেসার আবু জায়েদ রাহীর বলে উইকেটের পেছনে এনামুল হক বিজয়ের ক্যাচে পরিণত হন আবদুল্লাহ আল মানুন। দলীয় ৪২ রানে ফিরে যান আরেক ওপেনার সাব্বির হোসেনও। সফর আলীর বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ২৮ বলে ১৮ রানে আউট হন সাব্বির।
স্কোরবোর্ডে ৫৫ রান তুললেই তৃতীয় উইকেট হারায় নর্থ জোন। এবার লেগ বিফোর উইকেটের শিকার হয়ে সফরের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন ইকবাল হোসেন (৯)। এরপর নর্থ জোনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন প্রিতম ও আকবর। অনেকটা ওয়ানডে মেজাজে খেলতে থাকেন নর্থের দুই ব্যাটার। দুইজনের ২৩৩ রানের জুটিতে ম্যাচে চালকের আসনে চড়ে বসে তারা।
প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে নিজের তিন নম্বর শতকের দেখা পান আকবর। ১৫৮ বলে দুই ছক্কা ও ১৬ চারে ১২১ রান করেন তিনি। আকবরকে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আশরাফুল হাসানের ক্যাচ বানিয়ে ২৩৩ রানের এই জুটি ভাঙেন সামিউন বাসির রাতুল। এক ওভার পরেই রাতুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরে যান মেহেরব হোসেনও।
অন্যপ্রান্তে আকবরের পরপরই সেঞ্চুরি তুলে নেন প্রিতমও। নিজের পঞ্চম প্রথম শ্রেণির সেঞ্চুরিকে দেড়শ পাড় করে নিয়ে যান তিনি। ১৮৪ বলে দুই ছক্কা ও ১৬ চারে ১৫১ রানে অপরাজিত থেকে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির লক্ষ্য নিয়ে তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নামবেন এই ব্যাটার।
প্রিতমকে কিছুটা সঙ্গ দিয়ে তানবির হায়দার আউট হন ১৯ রান করে। দলীয় ৩৩০ রানে আশরাফুলের প্রথম শিকার হন তানবির। শেষ বিকালে ৩৯ বলে ২২ রান করে প্রিতমকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছিলেন স্পিনার সানজামুল ইসলাম। আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা বন্ধ হবার আগে ৬ উইকেটে ৩৭৯ রান নিয়ে রান পাহাড়ে চড়ার স্বপ্ন দেখছে নর্থ জোন। ৬৫ রানে লিড নিয়ে তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নামবে তারা।