আবু হায়দার-শিবলীর আক্ষেপ, সেঞ্চুরির অপেক্ষায় অমিত

বিসিএল
বিসিবির ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া
বিসিবির ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১০ রান দূরে ছিলেন আবু হায়দার রনি। ডানহাতি ব্যাটারের সামনে সুযোগটাও ছিল। তবে সেটা লুফে নিতে পারলেন না তিনি। দ্বিতীয় দিনের সকালে পাঁচ বলের বেশি টিকতে পারেননি আবু হায়দার। পেসার খালেদ আহমেদের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাকফুট পাঞ্চ করতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে এজ হয়ে অমিত হাসানের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। প্রথম দিনের ৯০ রানের সঙ্গে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি আবু হায়দার।

১১৫ বলে ৯০ রানের ইনিংস খেলে থামতে হয়েছে ডানহাতি ব্যাটারকে। আবু হায়দারের আক্ষেপের দিনে সেঞ্চুরির খুব কাছে দাঁড়িয়ে অমিত। ইস্ট জোনের হয়ে ১৫৭ বলে ৮৮ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার। হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া মুশফিকুর রহিম অপরাজিত ৫৯ রানে। দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ২৪৩ রান তুলেছে ইস্ট জোন। তবে এখনো সেন্ট্রাল জোনের চেয়ে ৬৪ রানে পিছিয়ে মুশফিক-মুমিনুল হকরা।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সেন্ট্রাল জোনের ৩০৭ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইস্ট জোনকে ভালো শুরু এনে দেন জাকির হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয়। দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৯ রান যোগ করেন। তাদের জুটি ভেঙেছেন আনামুল হক। ডানহাতি পেসারের ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে মিড অফের উপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন জাকির। তবে ৩০ গজের বৃত্ত পার করতে পারেননি বাঁহাতি ওপেনার।

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় ৩৩ বলে ১৩ রান। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি মুমিনুল। বাংলাদেশের সাবেক টেস্ট অধিনায়ককে দ্রুতই ফেরান আনামুল। ডানহাতি পেসারের লেগ স্টাম্পের বাইরের শর্ট লেংথ ডেলিভারিতে পুল করেছিলেন মুমিনুল। তবে টাইমিংয়ে গড়বড় হওয়ায় ফাইন লেগে থাকা ইকবাল হোসেন ইমনকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। ২৫ বলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি মুমিনুল।

দ্রুতই দুইটি উইকেট হারানোর পর ইস্টের হাল ধরেন জয় অমিত। তারা দুজনে মিলে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। দারুণ ব্যাটিংয়ে ৭২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন জয়। যদিও পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর ডানহাতি ওপেনারকে খুব বেশি দূর এগোতে দেননি রাকিবুল হাসান। বাঁহাতি স্পিনারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে লেট কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে মার্শাল আইয়ুবকে ক্যাচ দিয়েছেন।। ১০ চার ও একটি ছক্কায় ৮৬ বলে ৬৪ রান করেছেন জয়।

১২৮ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দিনের বাকিটা সময় অনায়াসে কাটিয়ে দিয়েছেন অমিত ও মুশফিক। তারা দুজনেই হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন। ৮২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া অমিত দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে অপরাজিত ১২ চারে ১৫৭ বলে ৮৮ রানের ইনিংস খেলে। অভিজ্ঞ মুশফিক হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ৬৫ বলে। ডানহাতি ব্যাটার অপরাজিত আছেন ৬ চার ও একটি ছক্কায় ৮৩ বলে ৫৯ রান করে। সেন্ট্রালের হয়ে আনামুল দুইটি ও রাকিবুল একটি উইকেট পেয়েছেন।

সকালের শুরুতে ৬ উইকেটে ২৭২ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন সেন্ট্রালের আবু হায়দার ও আশিকুর রহমান শিবলী। দুজনের সামনেই সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল। তবে দুজনের কেউই সেঞ্চুরি করতে পারেননি। আবু হায়দার ৯০ রানে আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পর শিবলী থেমেছেন ১৮২বলে ৮৬ রান করে। শেষ পর্যন্ত ৩০৭ রানে অল আউট হয় সেন্ট্রাল। ইস্ট জোনের হয়ে ইবাদত হোসেন চারটি ও তোফায়েল আহমেদ তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

আরো পড়ুন: