২৫১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩০ রান যোগ করেন দুই আফগান ওপেনার আবিদুল্লাহ নাদারজান ও ফরিদুল্লাহ ইহসাস। আবিদুল্লাহকে (১৫) ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট এনে দেন রুবাই ইসলাম রিজন। ২৭ রান করা ফরিদুল্লাহ রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। সুবহান জাখাইল (২৪) ও নোমাব সালারজাই (২৫) উইকেটে সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
পাঁচ নম্বরে নামা হামজা এক প্রান্তে বিপদজনক হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু অর্ধশতক তুলে নেবার পরপরই তাকে দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন রুবাই। হামজা আউট হবার সময় আফগানরা তখন জয় থেকে ৮৩ রান দূরে। লোয়ার মিডল অর্ডারে বাকিরা সবাই উইকেটে সেট হলেও কেউই দলকে জয় পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারেননি। ২১ রান করা অধিনায়ক সোহাইলকেও ফেরান রুবাই।
শেষমেষ ২১৭ রানে অলআউট হয় আফগান যুবারা। ৩৩ রানে জিতে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে যায় জুনিয়র টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে রুবাই ৫ টি, আতিকুর রহমান ২ টি এবং শাকিল ও জারিফ একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই আবদুল্লাহ আল মুহির উইকেট হারায় বাংলাদেশের যুবারা। এরপর দ্বিতীয় উইকেগে ৬৮ রানের জুটি গড়েন জারিফ ও আলআমিন হোসেন। ৫২ বলেই অর্ধশতক তুলে নেন জারিফ। কিন্ত এর পরপরই লুতফুল্লাহ মোহাম্মাদীর বলে লেগ বিফোর হয়ে ফেরেন জারিফ। এর আগেই ২৬ রানে আউট হন আল আমিন।
এরপর দুই মিডল অর্ডার রবিউল অনিক ও অধিনায়ক ফরিদ ফয়সাল দ্রুত ফিরে গেলে ১১১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে দুর্দান্ত এক জুটিতে দলকে টেনে তোলেন রাকিবুল ও মুমিন। দুই ব্যাটারের ১১৭ রানের জুটিতে বিপদ সামাল দেয় যুবারা। ৭৮ বলে ১ ছক্কা ও ৬ চারে ৭৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন রাকিবুল।
অন্যদিকে, ইমরান মোহাম্মাদীর বলে আউট হবার আগে ৭০ বলে ৪ টি চারে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন মুমিন। নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৫০ রানে থামে বাংলাদেশের যুবাদের ইনিংস। আফগান যুবাদের হয়ে ইমরান ৩ টি, লুতফুল্লাহ ২ টি এবং সোহাইল খান একটি উইকেট নেন।