গত আগস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজের প্রথমটিতে ৯ উইকেটে হেরে যায় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচটি হারলেও দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়ে ইনিংস ব্যবধানে জয় পায় তারা। সিরিজ শেষে অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তুতি নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল।
কামিন্স অবশ্য প্রস্তুতির ঘাটতির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন, 'সেটি অ্যাশেজের টেস্ট হোক কিংবা বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ, আমরা ঠিক একইভাবে প্রস্তুতি নিতাম। সিরিজ শেষে অবশ্যই ফিরে তাকানো যায়, তবে আমার মনে হয়েছিল আমরা বেশ ভালো অবস্থায় ছিলাম। সবাই সুস্থ ছিল, নিজেদের সেরাটা দেয়ার জন্য প্রস্তুতও ছিল।'
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে কী ভুল হয়েছিল, সেই প্রশ্নে অবশ্য কোনো অজুহাত দেননি কামিন্স। 'কিপিং ইট ক্রিকেট' নামক এক পডকাস্টে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের সোজাসাপ্টা উত্তর, 'আমার মনে হয় আমরা ভালো খেলিনি। এটি প্রস্তুতির অভাব ছিল না। আমরা নিজেদের সেরা অবস্থায় ছিলাম না। বাংলাদেশ দারুণ খেলেছে এবং আমাদের খেলায় ফেরার সুযোগই দেয়নি।'
বাংলাদেশ সিরিজের পর অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী টেস্ট অভিযান সাউথ আফ্রিকায়। সেখানে তিন টেস্টের সিরিজ খেলবে তারা। তবে এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক দিনের সিরিজে খেলবেন না কামিন্স।
সাউথ আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার এই সফর নিয়ে আলাদা আগ্রহও আছে। ২০১৮ সালের বল বিকৃতির কেলেঙ্কারির পর এই প্রথম সাউথ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। তবে পুরোনো সেই বিতর্ক এবার সিরিজকে ছাপিয়ে যাবে বলে মনে করছেন না কামিন্স।
তিনি বলেন, 'কিছুটা রোমাঞ্চ হয়তো থাকবে। তবে সবাই এগিয়ে যায়। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, তিনটি টেস্ট আছে। ক্রিকেটে মনোযোগ দিলেই দ্রুত সবাই শুধু ক্রিকেট নিয়েই ভাবতে শুরু করবে।'
গ্যালারিতে কিছুটা উত্তাপ কিংবা সংবাদমাধ্যমে পুরোনো প্রসঙ্গ ফিরে আসতে পারে বলেও স্বীকার করেছেন কামিন্স। তবে অস্ট্রেলিয়া দল অতীত পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, 'নিশ্চয়ই গ্যালারিতে কিছু উত্তেজিত দর্শক থাকবে, কিছু সংবাদ বা সংবাদমাধ্যম পুরোনো বিষয় সামনে আনবে। কিন্তু আমাদের দল এগিয়ে গেছে।'