মিচেল স্টার্কের আগুনে বোলিংয়ের সামনে প্রথম ইনিংসে কেবল ৬৪ রান করে বাংলাদেশ। মাত্র ১২ রান খরচায় ছয়টি উইকেট নেন এই পেসার। এরপর ক্যামেরন গ্রিনের ১০৫ বলে ৬৭ এবং স্টিভ স্মিথের ৭৪ বলে ৪২ রানের ইনিংসে ২১০ রান তোলে অজিরা।
টেস্টের প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনও বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। ১৪৬ রানে পিছিয়ে থাকা দলটি এবার মাত্র ৯৫ রানে অল আউট হয়। চারটি উইকেট নেন স্টার্ক। বাকি ছয়টি উইকেট সমানভাগে ভাগ করে নেন কামিন্স এবং নাথান লায়ন।
সংবাদ সম্মেলনে কামিন্স বলেন, 'কখনোই দুই দিনে ম্যাচ শেষ করার পরিকল্পনা থাকে না। উইকেটটা বেশ ভালোই মনে হয়েছিল। তাই সবকিছু যেভাবে হয়েছে, তাতে আমরা খুব খুশি। অবশ্য স্টার্কির প্রথম দুই ঘণ্টাই ম্যাচের ভিত গড়ে দিয়েছে। প্রতিটি টেস্টে এমনটা হবে, সেটা ধরে নেওয়া যায় না। তবে শুরুতেই যখন বড় লিড পেলাম, তখন মনে হচ্ছিল ম্যাচের প্রথমার্ধেই আমরা পুরোপুরি চাপে ফেলতে পারি।'
'মনে হচ্ছে সবকিছু ফাস্ট-ফরোয়ার্ডে চলছে। উইকেটটা বেশ ভালো ছিল। পাঁচ সেশনে ৩০ উইকেট পড়বে, এমন মনে হয়নি। তবে কয়েকটি টেস্ট এখন এভাবেই দ্রুত শেষ হচ্ছে। এখানে কিছু দুর্দান্ত বোলিং হয়েছে, আবার কিছু সময় ব্যাটিংও গড়পড়তা ছিল—আমিও তার মধ্যে আছি। এ কারণেই হয়তো ম্যাচটা এত দ্রুত শেষ হয়েছে।'
ডারউইনে হারের পর এই ম্যাচটি জিততে মুখিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া। বিষয়টিকে প্রতিশোধের চাইতে আত্মসম্মান বাঁচানোর লড়াই হিসেবে নেয় কামিন্সের দল। যদিও অজি অধিনায়কের মতে, দুটি টেস্টেই প্রতাশামতো খেলতে পারেনি তার দল।
কামিন্স আরো বলেন, 'এটা প্রতিশোধের চেয়ে আত্মসম্মানের বিষয় বেশি। একটা ম্যাচ হারলে পরের ম্যাচ জেতার জন্য আপনি মরিয়া থাকবেনই। এতে যে আরও বেশি চেষ্টা করতে হয়, তা নয়। তবে আমাদের ঘুরে দাঁড়ানো দরকার ছিল। সেটা করতে পেরে ভালো লাগছে।'
'আমরা যদি বিশ্বে এক নম্বর থাকতে চাই, প্রতিটি টেস্ট জিততে চাই এবং নিজেদের সেরা দল হিসেবে দেখতে চাই, তাহলে মনে হয় দুই টেস্টেই আমরা কিছুটা প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারিনি।'