প্রিটোরিয়ায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারেই ফেরেন নাইম শেখ। কোডি ইউসুফের গুড লেংথে পড়ে অফ স্টাম্প দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে এজ হয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন বাঁহাতি ওপেনার। ১৭ বলে ৮ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। মাহমুদুল হাসান জয়ও সুবিধা করে উঠতে পারেননি। জেরাল্ড কোয়েতজের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন।
বাংলাদেশের ওপেনার ফিরেছেন ৩৪ বলে ১৯ রান করে। উইকেটে থিতু হলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি শাহাদাত হোসেন দিপু। কোয়েতজির অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাট করতে গিয়ে এজ হয়েছেন। উইকেটকিপারকে ক্যাচ দিয়ে দিপু ড্রেসিংরুমের পথে ফেরেন ৪৪ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে। সুবিধা করতে পারেননি জাকির হাসানও।
শেপো মোরেকির শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়েছেন ১১ রান করা বাঁহাতি এই ব্যাটার। পরের ওভারে আউট হয়েছেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। পেসার ইউসুফের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন স্লিপে। দিনের প্রথম সেশনে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। লাঞ্চ থেকে ফেরার পরই আউট হয়েছেন নাঈম হাসান। মোরেকির বলে টপ এজ হয়ে শর্ট স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়েছেন।
টিকতে পারেননি আফিফ হোসেনও। কোয়েতজির প্রথম বলে চার মারার পরের বলেই আউট হয়েছেন তিনি। ডানহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ছেড়ে দেবেন নাকি কাট করবেন এমন সংশয় থেকে গালিতে ক্যাচ দিয়েছেন আফিফ। বাঁহাতি ব্যাটার ফেরেন ৮ রানে। একশর আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে আরও বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে অবশ্য সফরকারীদের এগিয়ে নিতে পারেনি কেউ।
শেষের দিকে আল ফাহাদ ১৮ রান করেছেন। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে ৫১ বল খেলেছেন স্পিনার হাসান মুরাদ। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১২২ রানেই থামতে হয়েছে বাংলাদেশকে। সাউথ আফ্রিকা ‘এ’ দলের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন কোয়েতজি ও শেপো এনটুলি। দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন মোরেকি ও ইউসুফ।
বাংলাদেশকে অল আউট করে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সাউথ আফ্রিকাও। লেসেগো সোনোওকানে দ্রুতই ফেরান আল ফাহাদ। একটু পর শেপাং দিথোলের উইকেট নেন পেসার আনামুল। তবে দিনের বাকিটা সময় আর উইকেট পায়নি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটে ১৭০ রান তুলে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে সাউথ আফ্রিকা। স্বাগতিকদের হয়ে হামজা ৭০ ও অ্যাকারম্যান ৮০ রানে অপরাজিত আছেন।