এসিসির এই সভায় সব সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সেখানে নির্বাহী বোর্ড নির্বাচন, সভাপতি পদ এবং বিভিন্ন কমিটি গঠনের মতো বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এসিসির সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের (ইউএই) সহসভাপতি খালিদ আল জারুনি।
টেস্ট খেলুড়ে নয় এমন পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে কাতার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিরা দুই বছরের জন্য এসিসির নির্বাহী বোর্ডে নির্বাচিত হয়েছেন। সহযোগী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপের মোহাম্মদ ফয়সাল ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনের মোহাম্মদ মনসুরও এসিসির নির্বাহী বোর্ডে জায়গা পেয়েছেন।
সভায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর একটি ছিল আফগানিস্তানকে সভাপতি নির্বাচিত করার সুযোগ করে দেয়া। এর আগে রোটেশনের মাধ্যমে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও ভারতই এসিসির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্য ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে আফগানিস্তানও এই দায়িত্ব নিতে পারবে।
এসিসির সভাপতি মহসিন নাকভি নতুন সিদ্ধান্তগুলোকে স্বাগত জানিয়েছেন। নবনির্বাচিত সহসভাপতি ও নির্বাহী বোর্ডের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এশিয়ায় ক্রিকেট সব সময়ই একটি খেলার চেয়ে বেশি কিছু। এটি এমন একটি অভিন্ন ভাষা, যা দেশ, সংস্কৃতি ও প্রজন্মকে যুক্ত করে।’
নাকভি যোগ করেন, ‘বার্ষিক সাধারণ সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো আমাদের প্রশাসনিক পরিপক্বতার প্রতিফলন। একই সঙ্গে খেলাটির জন্য এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সম্মিলিত সংকল্পেরও বহিঃপ্রকাশ, যা আমরা দায়িত্বে না থাকার পরও দীর্ঘদিন সেবা দিয়ে যাবে।’