টানা দুই অ্যাওয়ে টেস্টে সেঞ্চুরি করা ২০১৮-১৯ মৌসুমে চেতেশ্বর পূজারার পর ভারতের প্রথম তিন নম্বর ব্যাটার এখন তিনি। দিনের শুরুতে অবশ্য দুবার জীবন পেয়েছিলেন পাডিকাল। শূন্য ও এক রানে তার ক্যাচ ফসকায় শ্রীলঙ্কার ফিল্ডাররা।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত শুরুটা করেছিল সতর্কভাবে। তবে ১৮ রানে লাহিরু কুমারার বলে টপ এজ হয়ে নিরোশান ডিকওয়েলার ক্যাচ হয়ে ফিরে যান লোকেশ রাহুল। এরপর যশস্বী জয়সওয়াল ও পাডিকাল মিলে সামাল দেন পরিস্থিতি। ৪৫ রানে পৌঁছে যাওয়া জয়সওয়াল ৯টি চারে ৪৫ রানে পৌঁছে যান বেশ সাবলীল খেলেই। তবে আসিথা ফার্নান্দোর বলে বোল্ড হয়ে থামতে হয় তাকে। আউট হওয়ার পর ফার্নান্দোর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়েও জড়ান জয়সওয়াল। পরে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এরপর পাডিকালের সঙ্গে জুটি গড়েন অধিনায়ক শুভমান গিল। দুজন মিলে তৃতীয় উইকেটে যোগ করেন ১২০ রান। পাডিকাল তুলে নেন ফিফটি, গিলও পৌঁছে যান অর্ধশতকে। তবে ৫০ রানে পৌঁছানোর পরপরই আলগা শটে আসিথার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন গিল। চা-বিরতির আগে ১৮৭ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারত।
চা-বিরতির পর চোটে পড়ে মাঠ ছাড়েন ঋষভ পান্ত। কুমারার শর্ট বল ঠেকাতে গিয়ে কবজিতে আঘাত পান তিনি। ১৪ বলে ৩ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হন পন্ত। এরপর পাডিকালের সঙ্গে জুটি বাঁধেন রবীন্দ্র জাদেজা। দুজন মিলে ভারতকে এগিয়ে নেন। একপর্যায়ে জয়াসুরিয়ার বলে এক রান নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন পাডিকাল।
সেঞ্চুরির পর অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি পাডিকাল। কেশারা নুয়ান্থার টার্ন করে আসা বলে বোল্ড হয়ে ১১৭ রানে থামেন তিনি। ১৯৩ বলের ইনিংসে মারেন ১২টি চার। তার বিদায়ের পর দ্বিতীয় নতুন বলে জাদেজাকেও ৪৩ রানে ফেরান আসিথা। দিনের শেষ পর্যন্ত ভারত ৩০০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ভালো অবস্থানেই রয়েছে।