ইনিংসের ১৩তম ওভারে রায়ান বার্লের কাছে চার হজম করার পরই ফিজিওর সহায়তায় মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। পরে আর সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে খেলতে পারেননি বাংলাদেশের এই গতিতারকা। অনেকেই মনে করেন অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে বিশ্রাম দেয়ার সুযোগ ছিল নাহিদকে। যদিও নাহিদের ইনজুরিকে দূর্ঘটনা বলছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘পেস বোলাররা বোলিংয়ের পর চোটে পড়বে। এটা খেলারই একটা অংশ। কিন্তু যদি সে চোটে পড়ে খেলতে না পারে, সেটা অবশ্যই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা সবকিছু চিন্তা করেই এগিয়েছিলাম। সে কারণেই তাকে টেস্টে খেলাইনি। ওয়ানডেতেও সব ম্যাচ খেলাইনি। টি-টোয়েন্টিতেও হয়তো দ্বিতীয় ম্যাচের পর তৃতীয় ম্যাচ খেলত না। কিন্তু এটা হয়ে গেছে।’
জিম্বাবুয়ে সফরে শুধু নাহিদই নন, চোটে পড়েছেন আরও কয়েকজন পেসার। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পুরো টি-টোয়েন্টি সিরিজই খেলতে পারেননি মুস্তাফিজুর রহমান। ইনজুরির কারণে সিরিজের মাঝ পথেই দেশে ফিরতে হয়েছে শরিফুল ইসলামকে। বাশারের দাবি জিম্বাবুয়েতে ওয়ার্কলোড ম্যানেজ করেই খেলানো হয়েছে পেসারদের।
তিনি যোগ করেন, ‘আমার কাছে এটা নিছকই একটা দুর্ঘটনা। নাহিদ রানা, তাসকিন, শরিফুল আমাদের টেস্টের নিয়মিত বোলার। সামনের টেস্ট সিরিজটা যেহেতু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ, তাই সেটাকেই আমরা সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছি। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে টেস্ট ম্যাচকে অতটা প্রাধান্য দিইনি।’
জিম্বাবুয়ে সফরে তিন ওয়ানডের মধ্যে দুটি এবং তিন টি-টোয়েন্টির মধ্যে দুটি ম্যাচ খেলেছেন রানা। প্রথম ওয়ানডেতে ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সেরা বোলিংয়ের নতুন রেকর্ডও গড়েন তিনি। প্রধান নির্বাচক মনে করেন টেস্ট সিরিজ খেলতে যাওয়ার আগে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির কথা ভেবেই নাহিদকে খেলানো হয়েছিল।
বাশার বলেন, ‘নাহিদ তিন ওয়ানডের মধ্যে দুটি খেলেছে। একটি টি-টোয়েন্টি খেলে টি-টোয়েন্টিতেও দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে গিয়ে চোটে পড়েছে। আমার মনে হয়, চোটটা হয়তো আগেই দেখা দিয়েছিল। এখানে না হলে টেস্ট ম্যাচেও হতে পারত। আমরা যথেষ্ট ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট করি। ফাস্ট বোলারদের বড় সিরিজের আগে ধাপে ধাপে প্রস্তুত করার পরিকল্পনা থাকে।’