ইংলিসের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে শাস্তি পেলেন নাহিদ

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে প্রেস কনফারেন্সে এসেছিলেন অস্ট্রেলিয়া বধের নায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান নাহিদ রানা ও জশ ইংলিসের মাঝে আসলে কী হয়েছিল। মাঠের ঘটনা মাঠে রাখার আহ্বান জানিয়েছে মোসাদ্দেক বলেছিলেন, ‘নাথিং সিরিয়াস।’ তবে ইংলিসের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানোয় নাহিদকে শাস্তি দিয়েছে আইসিসি।

আচরণবিধির ২.৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘এমন কোনো ইঙ্গিত, আচরণ বা ভাষা ব্যবহার করা যাবে না, যা ব্যাটার আউট হওয়ার পর তাকে উসকে দেবে কিংবা অপমানিত বোধ করবে।’ দ্রুতই উইকেট হারানোর পর কুপার কনোলিকে সঙ্গে নিয়ে জুটি গড়েছিলেন ইংলিস। পাওয়ার প্লে শেষে ১১তম ওভারে বোলিংয়ে এসেই অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ককে ফেরান নাহিদ।

ডানহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের গতিময় ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইংলিস। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারকে আউট করার পর উদযাপনে মেতে ওঠেন নাহিদ। ওই সময় ইংলিসকে ইঙ্গিত করে কিছু একটা বলতে শোনা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে নাহিদকে জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেন ইংলিস।

যদিও মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্তরা ইংলিস ও নাহিদকে থামিয়েছেন। সেই ঘটনার জন্য নাহিদকে এক ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে আইসিসি। ম্যাচ শেষে অনফিল্ড আম্পায়ার অ্যালেক্স ওয়ার্ফ ও গাজী সোহেল অভিযোগ আনেন। তৃতীয় আম্পায়ার আহসান রাজা এবং চতুর্থ আম্পায়ার মোর্শেদ আলী খান শাস্তি দেন। অভিযোগ ও শাস্তি মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

গত ২৪ মাসে বাংলাদেশের তারকা পেসারের এটি দ্বিতীয় ঘটনা যেখানে তিনি ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, ২৪ মাসের মধ্যে ৪ ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে একটি টেস্ট অথবা দুইটি ওয়ানডে কিংবা দুইটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকতে হবে তাকে। নাহিদের ২ পয়েন্ট হওয়ায় এখনই নিষিদ্ধ হচ্ছে না। তবে আপাতত তাকে সাবধান থাকতে হবে।

আরো পড়ুন: