জবাবে খেলতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে ভর করে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে আবাহনী। ছোটো লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৬ রান করে আউট হন ওপেনার জিসান আলম। এরপর আবাহনীকে আর বেগ পেতে দেননি শান্ত ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। দুজনের ১৭১ রানের জুটিতে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দলটি।
শান্ত এদিন ৯০ বলে ১০৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। পাশাপাশি অঙ্কন ৮৬ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। এর আগে এই ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অগ্রণী। শুরুটা ভালোই হয়েছিল তাদের। দলীয় ৪৬ রানে আউট হয়ে যান ১৭ রান করা ওপেনার সাদমান ইসলাম। মাহফিজুল ইসলাম রবিন ফেরেন ৩৩ বলে ৩১ রান করে। অমিত হাসান আউট হন ৭ রান করে।
অধিনায়ক ইমরুল কায়েসও বেশি দূর এগোতে পারেননি তার ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান। মার্শাল আইউব আউট হন ১০ রানে। অবশ্য মিডল অর্ডারে নেমে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন নাসির হোসেন। তিনি ফিরেছেন ৫৮ বলে ৫৬ রান করে। দলটির নিচের সারির কেউই দুই অঙ্ক পেরুতে পারেননি। ফলে তারা অল আউট হয়ে যায় ৪৩ ওভারের মধ্যেই।
আবাহনীর বোলারদের মধ্যে পাঁচজনই দুটি করে উইকেট নিয়েছেন রোহান উদ দ্দৌলা, রাকিবুল হাসান, খালেদ আহমেদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও মাহফুজুর রাব্বি। একমাত্র মেহরব হোসেন বল করেও কোনো উইকেট শিকার করতে পারেননি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৭ ম্যাচে ৫ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে ২ নম্বরে উঠে এসেছে আবাহনী। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ও প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ১০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে রয়েছে।