দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ১১৭ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। পাশাপাশি ৯৫ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন নাহিদুল ইসলাম। এর বাইরে দুই অঙ্কে যেতে পেরেছেন কেবল আর দুজন ব্যাটার, শহিদুল ইসলাম ২৩ ও ফজলে মাহমুদ রাব্বি করেন ১৪ রান। আর কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি। শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে বসুন্ধরা।
এক সময় তারা ২৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। সেখান থেকেই সম্মানজনক পুঁজি নিশ্চিত করে দলটি। আবাহনীর হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নিয়েছেন রোহান উদ দ্দৌলা। মোসাদ্দেকের সঙ্গে দুটি উইকেট নিয়েছেন খালেদ আহমেদও। আর একটি উইকেট মেহরব হোসেনের।
জবাবে খেলতে নেমে ভালো শুরু পায়নি আবাহনীও। তারা ৪ উইকেট হারায় মাত্র ৪৪ রানে। এরপর জাকের আলী অনিক ও মোসাদ্দেক মিলে দলের বিপর্যয় সামাল দেন। দুজনে ৮৮ রানের জুটি গড়েন পঞ্চম উইকেটে। জাকের ৪৩ করে ফিরলেও মোসাদ্দেক হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন।
এরপর আবাহনীকে আর কোনো উইকেট হারাতে দেননি সাব্বির রহমান ও মাহফুজুর রহমান রাব্বি। সাব্বির ৫৪ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন। আর ২২ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন রাব্বি। বসুন্ধরার হয়ে দুটি উইকেট নেন জিয়াউর রহমান। একটি করে উইকেট নেন বিপ্লব ও শহিদুল ইসলাম।
দিনের আরেক ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ১২০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ঢাকা লেপার্ডস। আগে ব্যাট করে অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের ৮৬ বলে ১১২ রানের ইনিংস ও মঈন খান-ইফতেখার হোসেনের জোড়া হাফ সেঞ্চুরি ভর করে ৩৫১ রান করে লেপার্ডস। জয়াবে ২৩১ রানে অল আউট হয় ব্রাদার্স।
ব্রাদার্সের হয়ে গোলাম কিবরিয়া ৪৬ বলে ৫১ রান করে। আর কেউই বলার মতো রান করেননি। লেপার্ডসের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়ে ধসিয়ে দিয়েছেন আলাউদ্দিন বাবু ও শেখ পারভেজ জীবন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মঈন খান, আরাফাত সানি ও হাসান জুরাদ।