সবশেষ কয়েক বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করছেন রুট। নিয়মিত রান করার পাশাপাশি একের পর এক রেকর্ডও ভাঙছেন তিনি। এখনো পর্যন্ত ১৬৩ টেস্টে ১৩ হাজার ৯৪৩ রান করেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে রুটের চেয়ে বেশি রান আছে কেবল শচীনের। ২০০ টেস্ট খেলে ১৫ হাজার ৯২১ রান করেছেন ভারতের মাস্টার ব্লাস্টার। এখনো শচীনের চেয়ে ২ হাজার রান পিছিয়ে রুট।
ইংলিশ ব্যাটারের বয়স এখন ৩৫। ফিটনেস ও পারফরম্যান্স বিবেচনায় আরও দুই থেকে তিন বছর টেস্ট ক্রিকেট চালিয়ে যেতে পারেন তিনি। অনেকে মনে করেন, রুট যেভাবে পারফর্ম করছেন তাতে শচীনকে ছোঁয়া সম্ভব। সেঞ্চুরিতেও শচীনের চেয়ে খুব বেশি পিছিয়ে নেই রুট। গত অ্যাশেজে টেস্টে ৪১তম সেঞ্চুরি করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক। তার সমান সেঞ্চুরি আছে রিকি পন্টিংয়ের।
৪৫ সেঞ্চুরি নিয়ে দুইয়ে আছেন সাউথ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস। ৫১ সেঞ্চুরিতে সবার উপরে আছেন শচীন। অর্থাৎ ভারতের কিংবদন্তিকে ছুঁতে আরও ১০ সেঞ্চুরি করতে হবে রুটকে। শচীনের খুব কাছাকাছি থাকায় প্রায়শই সেই সম্পর্কে প্রশ্ন শুনতে হয়। তিনি জানালেন, এখন চাইলেও প্রশ্নটা এড়িয়ে যেতে পারেন না। পাশাপাশি ভারতের কিংবদন্তির সঙ্গে নিজের নাম আলোচনায় থাকাকে ‘ভাগ্যবান’ মানছেন তিনি।
দ্য অ্যাথলেটিকের সঙ্গে আলাপকালে রুট বলেন, ‘আসলে আমাকে এখন এই প্রশ্নটা এতবার করা হয় যে আমি চেষ্টা করলেও এড়িয়ে যেতে পারি না। ক্রিকেটে শচীন টেন্ডুলকার যা অর্জন করেছেন সেটা সত্যিই অসাধারণ। আপনাকে বিশ্বাস করতেই হবে যে তার সাথে আলোচনায় থাকতে পারাটাই আমার জন্য যথেষ্ট।’
আমার জন্মের আগেই টেস্টে ক্রিকেটে তার অভিষেক হয়েছিল। আমার যখন টেস্ট ম্যাচে অভিষেক হয় তখনও সে খেলছিলেন। তার এমন লম্বা একটা ক্যারিয়ার সত্যিই অসাধারণ। তারপর, দেখুন টেস্ট ক্রিকেটে সে কত রান করেছেন। শুধু তাই নয়, ওয়ানডেতেও তার ৫০টি সেঞ্চুরি আছে।’
সবশেষ কয়েক মাসে কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলেননি রুট। গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট খেলেছেন তিনি। কয়েক মাসের বিরতির পর আবারও সাদা পোশাকের ক্রিকেটে নামবেন ইংলিশ এই ব্যাটার। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।