‘বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে আগের হোয়াইটওয়াশ কাকতালীয় ছিল না’

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ
বাসিত আলী, ফাইল ফটো
বাসিত আলী, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
২০২৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাবার সময় আন্ডারডগ হিসেবেই খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪৪৮ রানে ইনিংস ঘোষণা করায় পাকিস্তানও বাংলাদেশকে হাল্কাভাবে দেখার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। সেখান থেকে পাকিস্তানকে দশ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় টাইগাররা। এরপর দ্বিতীয় টেস্টে জিতে পাকিস্তানকে তাদের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশের টানা দুই জয়কে কিছুটা অবিশ্বাস্যই বলতে হবে তখনকার বিবেচনায়।

কিন্তু প্রায় দুই বছর পর এসে নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানকে আবারও হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার বাসিত আলীর দাবি, আগের পাকিস্তানের মাটিতে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করাটা যে কাকতালীয় ছিল না তার প্রমাণ দিয়েছে বাংলাদেশ। সব বিভাগে পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে বলেও মনে করেন সাবেক এই ক্রিকেটার।

‎সিলেট টেস্ট শেষ হবার পর নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বাসিত বলেন, 'তারা পাকিস্তানে হোয়াইটওয়াশ করে গিয়েছিল, সেটাকে সত্যি প্রমাণিত করল যে ওটা কাকতালীয় ছিল না। তারা পাকিস্তানেও ভালো ক্রিকেট খেলেছে এবং নিজেদের দেশেও ভালো ক্রিকেট খেলেছে, আর পুরোপুরি কুপোকাত করেছে।'

‎সাম্প্রতিক ফর্ম ও পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) দুর্দান্ত বোলিং করে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে পাকিস্তানের ব্যাটারদের জন্য সবচেয়ে বড় ভয়ের নাম ছিলেন নাহিদ রানা। প্রথম টেস্টে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে পাকিস্তানকে রীতিমতো গুড়িয়ে দেন নাহিদ। দ্বিতীয় টেস্টে বোলিং পরিসংখ্যানে নাহিদের প্রভাব দেখা না গেলেও নাহিদ ঠিকই পাকিস্তানের ব্যাটারদের মনে ভয়ের সঞ্চার করেছিলেন বলে মনে করেন বাসিত। তার দাবি, নাহিদের তৈরি করা এই ভয়ের প্রভাবে উইকেট তুলেছেন বাকি বোলাররা।

‎এ প্রসঙ্গে বাসিত বলেন, 'মনোযোগ হারিয়েছে অন্য বোলারের সামনে, ভয় নাহিদ রানার কারণে তৈরি হচ্ছিল, এটা বাস্তবতা। বাকি যে ৫৪ রান-এর জুটি হয়েছে আজ দুই পাঠানের মধ্যে—রিজওয়ান আর সাজিদ, একটু আশা তৈরি হয়েছিল যে হয়তো পাকিস্তান সেটা করে দেখাবে যা কখনো করেনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত, ৭৮ রান-এ বাংলাদেশ ম্যাচও জিতল, হোয়াইটওয়াশও করল পাকিস্তানকে।'

আরো পড়ুন: