বিশ্ব ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের উইনিং বোনাস দেওয়াটা বেশ পুরনো রীতি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছে। ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি এবং টেস্ট জয়ের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে বোনাস পেয়ে থাকেন ক্রিকেটাররা। ২০২৪ সালের জুনে তৎকালীন সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন প্রতিটি টেস্ট জয়ের জন্য ক্রিকেটারদের বোনাস বাড়ানো হয়েছিল।
সেই সময়ের তথ্য অনুযায়ী, আইসিসির টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের ১ থেকে ৬ নম্বর দলের বিপক্ষে টেস্ট জিততে পারলে প্রত্যেক ক্রিকেটার ৪ লাখ টাকা করে বোনাস পাবেন। অর্থাৎ দুই টেস্ট জয়ের জন্য ১৫ সদস্যের দলের সবাই ৮ লাখ টাকা করে পাওয়ার কথা। এ ছাড়া সিরিজ জয়ের জন্য আলাদা বোনাস থাকে।
সিলেটে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ জেতার পাশাপাশি হোয়াইটওয়াশও করেছে বাংলাদেশ। এমন জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই বড় অঙ্কের বোনাস পাওয়ার কথা শান্তদের। সিরিজ শেষে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোনাস নিয়ে আলোচনা করেছেন তামিম ইকবাল। বিসিবি সভাপতি ও ক্রিকেটারদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার পর বোনাস নিজেরা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
বরং সেই টাকা দিয়ে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জিমের সামনে কিংবা আশেপাশে একটি সুইমিংপুল বানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটার ও বিসিবি সভাপতির আলোচনার ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুইংমি পুলের কাজ কবে নাগাদ শুরু হবে সেটা জানা যায়নি। যদিও সুইমিং পুল বানানোর আলোচনাটা বেশ পুরনো।
বছরখানেক পেরিয়ে গেলেও মিরপুর সুইমিংপুল বানানো হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, দ্রুতই সুইমিংপুলের কাজ শুরু করা হবে। এদিকে রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়ে টেস্ট সিরিজ জেতায় সেবার ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা বোনাস পেয়েছিলেন ক্রিকেটাররা। ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বড় আয়োজন করে ক্রিকেটারদের হাতে বোনাসের সেই টাকা ক্রিকেটারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।