মূলত শেষ দুটি ওয়ানডে সিরিজে দারুণ ব্যাটিং করায় টি-টোয়েন্টিতে ভালো খেলা নিয়ে স্বপ্ন বুনছেন তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচে যথাক্রমে ৩*, ৪১ এবং ৪১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
এর মধ্যে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৩ এবং তৃতীয় ম্যাচে ৫১ বল খেলেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডেতে করেন যথাক্রমে ৬৮ বলে ৪৬, ১১ বলে ৭ এবং ৯১ বলে ৭৬ রান।
এর মধ্যে তৃতীয় ওয়ানডেতে ১৯ ইনিংস পর হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান লিটন। ওয়ানডে ইনিংসগুলোতে লম্বা সময় উইকেটে থাকায় টি-টোয়েন্টি নিয়ে আশাবাদী লিটন। টি-টোয়েন্টিতে শেষবারের সিরিজে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি হাফ সেঞ্চুরি করলেও এই ফরম্যাটে গত ১০ ম্যাচে পাঁচবারই এক অঙ্কের ঘরে আউট হন তিনি।
ব্যাটিং নিয়ে প্রত্যাশা রেখে লিটন বলেন, 'ব্যাটিংয়ের দিক থেকে একটা ভালো বিষয় হলো যে শেষ দুইটা সিরিজে হয়তো বড় বড় রান হয়নি, কিন্তু অনেকক্ষণ উইকেটে সময় কাটাতে পেরেছি। তো এটা একটা ভালো দিক, যেহেতু ফরম্যাটটাই আলাদা। আপনি এখানে যত সময় কাটাবেন, আপনার কাছ থেকে রান আসবে।'
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আগ্রাসী হয়ে খেলতে গেলে মাঝে মধ্যে উইকেট হারাতে হয়। লিটন মনে করিয়ে দিলেন সেই বাস্তবতাও।
তিনি বলেন, 'আলাদা ফরম্যাট, চেষ্টা করব ওই ধারাবাহিকতাটা ধরে রাখতে। তবে একই সঙ্গে আপনাকে আক্রমণাত্মক মানসিকতায় যেতে হবে, আর আক্রমণাত্মক মানসিকতায় গেলে কখনো কখনো আপনি ব্যর্থ হবেন। তাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এই বিষয়টা মেনে নেয়াটাই স্বাভাবিক যে আপনি ব্যর্থ হবেন, সফল হবেন, এভাবেই চলবে।'