নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দলে অবশ্য লেজের সারির কয়েকজনের কাছ থেকে ব্যাটিং সার্ভিসের প্রত্যাশা করতে পারে বাংলাদেশ। শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেনরা ইতোপূর্বে নিজেদের প্রমাণ করেছেন। নাসুম আহমেদ এবং তানজিম হাসান সাকিবরাও কয়েকটি ম্যাচে বড় শট হাঁকিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন।
দলে অলরাউন্ডার হিসেবে আছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও। এ ছাড়া এবারই প্রথমবার সুযোগ পাওয়া আব্দুল গাফফার সাকলাইনও ঘরোয়াতে নিজের ব্যাটিং সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন। সর্বশেষ বিপিএলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে খেলার সময় চার ইনিংসে ৫৪ রান আসে তার ব্যাটে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের এই দলটির ব্যাটিং গভীরতা নিয়ে আশাবাদী লিটন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, 'সামগ্রিকভাবে ভালো। আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের এই দলে প্রকৃত ছয়টা ব্যাটসম্যান সবসময় খেলে। সাথে আপনারা জানেন রিশাদ এবং শেখ মেহেদী দুজনেই ব্যাটিং করতে পারে। এবং পেসারদের বোলারদের ভেতরে সাকিব আছে, সাইফউদ্দিন আছে, সাকলাইনও এখন নতুন যোগ দিয়েছে। তো সামগ্রিকভাবে খুবই একটা ভারসাম্যপূর্ণ দল আমার কাছে মনে হয়।'
'তবে আপনি যদি দেখেন সামগ্রিকভাবে এই দলে, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে, যে পাঁচজনকে আমরা টেলএন্ডার হিসেবে ধরছি, পাঁচ পেস বোলারের মধ্যে তিনজনই খুব ভালো ব্যাটিং করতে পারে। শুধু যদি শরিফুল এবং রিপন মন্ডলকে ধরি, তাহলে হয়তো তারা খুব ভালো ব্যাটসম্যান না, কিন্তু টুকটাক পাঁচ-ছয় রান করে দিতে পারবে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা যে দলটা গড়ার চেষ্টা করছি, তারা যদি নিজেদের মতো করে পারফরম্যান্স করতে পারে, তাহলে এই সমস্যা আর থাকবে না।'
মূলত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় দলগুলোর আদলে বাংলাদেশ দলকে গড়তে চান টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক। নিচের দিকে বোলাররা রান পেলে উপরের ব্যাটাররা আরো স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারবে বলেই বিশ্বাস তার।
লিটন বলেন, 'আপনি দেখবেন যে বড় বড় টিমগুলোতে সবগুলোরই ডেপথ (গভীরতা) অনেক বড়। নয় নম্বর পর্যন্ত ব্যাটিং পারে। তো ওই ডেপথটা যদি আমরা তৈরি করতে পারি তাহলে মনে হয় আমাদের ব্যাটসম্যানরা উপর থেকে আরও ফ্রি'লি গেম খেলতে পারবে।'