‘বাংলাদেশের পেস আক্রমণ শক্তিশালী, তবে আমরা সিরিজ জিততে চাই’

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
নিউজিল্যান্ড দল, ক্রিকফ্রেঞ্জি
নিউজিল্যান্ড দল, ক্রিকফ্রেঞ্জি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে গতকালই চট্টগ্রামে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড দল। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পরপর দুই ম্যাচে উইকেটের সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। যদিও চট্টগ্রামের উইকেট নিয়ে এখনো ধারণা নেই দলটির। তবুও শেষ ওয়ানডে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় টম লাথামের দল।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিল ২৬ রানে। আগে ব্যাটিং করে নিউজিল্যান্ড তোলে আট উইকেটে ২৪৭ রান। সেই ম্যাচে চমকপ্রদ পারফরম্যান্স ছিল বাংলাদেশের পেসারদের। তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট নেন নাহিদ রানা।

বাংলাদেশ সেই ম্যাচে অল আউট হয় ২২১ রানে। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ম্যাচ হারতে হয় টাইগারদের। দ্বিতীয় ম্যাচের গল্পটা একেবারেই অন্যরকম। আগে ব্যাটিং করে এ দিন নিউজিল্যান্ড অল আউট হয় ১৯৮ রানে। ৩২ রান খরচায় একাই পাঁচ উইকেট নেন নাহিদ। দুটি উইকেট নেন শরিফুল।

ব্যাটিংয়ে নেমে তানজিদ হাসান তামিমের ৭৬ এবং নাজমুল হোসেন শান্তর ৫০ রানের সৌজন্যে চার উইকেটে জেতে বাংলাদশ। শেষ ম্যাচের আগে বাংলাদেশের পেসারদের শক্তিমত্তা নিয়ে আরো একবার প্রশংসার ফুলঝুরি এসেছে নিউজিল্যান্ড শিবির থেকে।

দলটির পেসার উইল ও'রুর্কি গণমাধ্যমে বলেন, 'আমরা আশা করছিলাম এখানে ভালো সিম সহায়ক উইকেট পাব। বর্তমানে তাদের খুব ভালো পেস আক্রমণ আছে এবং বিশ্বমানের কিছু বোলার আছে। নাহিদ গত ম্যাচে খুব ভালো করেছে এবং মুস্তাফিজের মতো বোলারও দলে আছে। তাই তাদের পেস আক্রমণ শক্তিশালী। ব্যক্তিগতভাবে আমি আশা করেছিলাম উইকেটগুলো সিম সহায়ক হবে এবং সেগুলো তেমনই হয়েছে। তাই কাল কী হয় তা দেখা যাবে।'

'আমরা এখানে এসে গর্বের সঙ্গে খেলতে চাই এবং সিরিজ জিততে চাই। সবাই প্রস্তুত থাকবে, আজ ভালোভাবে প্রস্তুতি নেবে এবং কাল আমরা সেরাটা দিতে চাইব এবং সিরিজ জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামব।'

বাংলাদেশে মূল দল নিয়ে আসেনি নিউজিল্যান্ড। আইপিএল-পিএসএলে মূল দলের ক্রিকেটাররা ব্যস্ত থাকায় খানিকটা খর্ব শক্তির দল নিয়েই বাংলাদেশে আসে লাথামরা। তবুও কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে পারফর্ম করার চেষ্টা করছে দলটি। সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচেও তেমনটা বজায় রাখতে চায় দলটি।

ও'রুর্কি আরো বলেন, 'বাউন্স কিছুটা অসম আছে বলে মনে হয়। তাই আমরা চেষ্টা করছি জোরে বল ফেলতে এবং সেই পরিবর্তনশীল বাউন্স কাজে লাগাতে। ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, শেষ ম্যাচে আমি কিছুটা বেশি শর্ট লেংথে বল করেছি, যার ফলে তারা সহজে শট খেলতে পেরেছে। তাই আমাদের পরিকল্পনা হলো যত জোরে সম্ভব বল ফেলা এবং উইকেট থেকে কিছুটা বৈচিত্র্য পাওয়া।'

'আমরা এটা নিয়ে অনেক কথা বলি। আমাদের দলে অনেকেই নতুন, অনেকেই আগে এখানে আসেনি বা বেশি খেলেনি। তাই সফরে আসার সময় থেকেই জানতাম প্রতিদিনের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। কালও একই হবে, আমরা আগে ব্যাট করি বা বল করি, দ্রুত সবাইকে জানাতে হবে উইকেট কেমন এবং সে অনুযায়ী পরিকল্পনা ঠিক করতে হবে।'

আরো পড়ুন: