৪৪৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ওয়ানডে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৬৪ নম্বরে আছেন নাহিদ। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে উন্নতি হয়েছে রিশাদ হোসেনেরও। প্রথম ওয়ানডেতে ৪৪ রানে দুইটি এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ২১ রানে এক উইকেট নিয়েছিলৈন ডানহাতি এই লেগ স্পিনার। তিন উইকেট নিয়ে ১০ ধাপ এগিয়েছেন তিনি। ললিত রাজবংশী ও আকিল হোসেনের সঙ্গে ৫৮ নম্বরে আছেন রিশাদ।
৩৯তম স্থানে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন পেসার শরিফুল ইসলাম। প্রথম দুই ওয়ানডেতেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন তিনি। তবে বাকিরা প্রায় সবাই পিছিয়ে গেছেন। দুই ধাপ পিছিয়ে ৮ নম্বরে নেমে গেছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই ম্যাচে খেললেও প্রত্যাশিতভাবে পারফর্ম করতে পারেননি তাসকিন আহমেদ। এক ধাপ পিছিয়ে তাই ২৯ নম্বরে নেমে গেছেন।
প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের টসের ঠিক আগ মুহূর্তে চোট পান মুস্তাফিজুর রহমান। যার ফলে প্রথম ম্যাচে খেলা হয়নি তার। ছিলেন না দ্বিতীয় ওয়ানডের একাদশেও। টানা দুই ম্যাচ না খেলায় ৭ ধাপ পিছিয়ে গেছেন বাঁহাতি এই পেসার। মুস্তাফিজ বর্তমানে আছেন ৫৫ নম্বরে। এ ছাড়া নাসুম আহমেদ, তানভির ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিবের অবনতি হয়েছে।
প্রথম ওয়ানডেতে ভালো করতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। বাঁহাতি ওপেনার খেলেছিলেন ৭৬ রানের ইনিংস। এমন ব্যাটিংয়ে ১৪ ধাপ এগিয়ে ৪০ নম্বরে উঠে এসেছেন তানজিদ। প্রথম ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া তাওহীদ হৃদয় শেষ ম্যাচেও ভালো করেছেন। ছন্দে থাকা এই ব্যাটার তাই ৫ ধাপ এগিয়েছেন।
পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে যৌথভাবে ২৬ নম্বরে আছেন তিনি। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে তিনিই সবার উপরে। নাজমুল হোসেন শান্ত প্রথম ম্যাচে ডাক মেরেছিলেন। তবে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলেছেন। তাতে এক ধাপ এগিয়ে ৪৩ নম্বরে উঠেছেন। লিটন দাসও এক ধাপ গিয়েছেন। তিনি আছেন ৮০ নম্বরে।
শেষ ম্যাচে ভালো করতে না পারলেও প্রথম ওয়ানডেতে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন সাইফ হাসান। ধীরগতির ব্যাটিং করলেও পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসে ১৫ ধাপ উন্নতি হয়েছে ডানহাতি ওপেনারের। বর্তমানে আছেন ৮৯ নম্বরে। তবে সৌম্য সরকার, মিরাজ ও জাকের আলী অনিকের অবনতি হয়েছে।