এই পুরস্কারের জন্য তার সঙ্গে মনোনয়ন পেয়েছিলেন আয়ারল্যান্ড অধিনায়ক গ্যাবি লুইস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাঁহাতি পেসার তারা নরিস। তবে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ও ম্যাচে প্রভাব বিস্তারের দিক থেকে এগিয়ে ছিলেন সোবহানা।
গ্লোবাল কোয়ালিফায়ারের প্রথম ছয় ম্যাচে ২২৯ রান করেন সোবহানা, গড় ৪৫.৮০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৪৫.৮৫। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইনিংস গড়ে দলকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল স্পষ্ট। টুর্নামেন্টজুড়ে আত্মবিশ্বাসী ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে আলাদা নজর কাড়েন তিনি।
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৯ রানের জয়ে বাংলাদেশ নিশ্চিত করে মূল আসরের টিকিট। সেই ম্যাচে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন সোবহানা। এটি ছিল টুর্নামেন্টে তার সর্বোচ্চ সংগ্রহ। পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরাও হন তিনি।
এরপর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও সোবহানা খেলেন ৪৭ রানের কার্যকরী ইনিংস। পুরো টুর্নামেন্টে তার অবদান বাংলাদেশকে জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য মূল বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে সহায়তা করেছে।