‘বিতর্কিত’ নির্বাচনের পর গত কয়েক মাসের মধ্যে বিদ্রোহী ক্লাবদের ছাড়া লিগ আয়োজন করে আরেকটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বিসিবি। এ ছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলতে যাওয়াটাকেও ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ ছাড়াও বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদিকের পদত্যাগ, আরেক পরিচালকের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগের কারণে সংস্থাটির সুনাম অনেকটাই প্রশ্নের মুখে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার পরিবর্তন হওয়ায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো প্রার্থীরা বোর্ড ভেঙে দেয়ার প্রক্রিয়া খুঁজছেন।
বিসিবির গত কয়েকমাসের কার্যকালাপের সমালোচনা করেছেন সুজন। তিনি বলেন, '(বিসিবি পরিবর্তন) আসতেই পারে যদি প্রয়োজন হয়। কারণ এই ক্রিকেট বোর্ডটা বিগত কয়েক মাস হয়েছে, আমি মনে করি না ঠিকঠাকভাবে চলছে। কারণ ঘরোয়া ক্রিকেট হচ্ছে না, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে পারিনি, আরও অনেক কিছু হচ্ছে যেগুলো আমার মনে হয় না ক্রিকেটের জন্য ভালো কিছু। কিন্তু আমি বলব না এখানে (বিসিবিতে) সবাই খারাপ, সবাই ভালো এমন কথা আমি বলতে চাই না।'
'কারণ যারাই এসেছে তারা অবশ্যই চেয়েছেন ভালো কিছু করতে কিন্তু তারা হয়ত (পারেনি) বা হয়নি। অবশ্যই, নতুন সরকার এসেছে নতুন ক্রীড়া (প্রতি) মন্ত্রী এসেছেন উনি উনার মতো করে চিন্তা করবেন কিভাবে করলে কারা আসলে ক্রিকেট বোর্ডের জন্য ভালো হবে, ক্রিকেটকে ভালোভাবে চালাতে পারবে। দিন শেষে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে খেলাটা যাতে মাঠে সচল থাকে, খেলাটা যাতে ঠিক মতো হয়। সেটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।'
সাবেক এই পরিচালকের মতে, বিসিবিতে ক্রীড়াবান্ধব পরিস্থিতি সৃষ্টি করার লক্ষ্যে ফের নির্বাচন আয়োজন করা এখন সময়ের দাবি। এক্ষেত্রে যোগ্য মানুষকে যোগ্য পদে চান সুজন।
সুজন আরো বলেন, 'আমার মনে হয় ভালো নির্বাচন হোক। যদি নির্বাচক ঠিকঠাক হয় যারা যোগ্য তারাই আসবে, এটা গুরুত্বপূর্ণ। তখন মানুষই বেছে নেবে। আমি জানি না ভবিষ্যতে কী হবে কিন্তু যেহেতু নির্বাচিত বোর্ড এটা তো আপনাকে মানতেই হবে। যেভাবেই হোক একটা নির্বাচন হয়েছে, সেটা নিয়ম ভেঙে হোক বা যেভাবেই হয়েছে।'
'নির্বাচিত বোর্ড এটা কীভাবে সরানো যাবে বা পরিবর্তন হবে এটা সরকার ঠিক করবে। তারপর আমার মনে হয় একটা নির্বাচিত বোর্ড আসাটা সবার কাছে কাম্য। যোগ্য মানুষ যোগ্য জায়গায় আসুক সেটাই সবচেয়ে বড় কথা।'