ম্যাক্সওয়েলদের হারিয়ে ফাইনালের আরও কাছে রিশাদের হোবার্ট

বিগ ব্যাশ
রিশাদ হোসেনের ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া
রিশাদ হোসেনের ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ম্যাচ জিততে শেষ ওভারে ২৬ রান প্রয়োজন ছিল মেলবোর্ন স্টার্সের। মিচেল ওয়েনের প্রথম বলেই পয়েন্টের উপর দিয়ে ছক্কা মারেন মার্কাস স্টইনিস। ডানহাতি পেসার পরের বলটা করেন ওয়াইড। ৫ বলে যখন ১৯ রান দরকার তখন আরেকটি ছক্কা মারার চেষ্টায় ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে রাইলি মেরিডিথের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন স্টইনিস। পরের তিন বলে দুইটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মারেন হিল্টন কার্টরাইট। তখনো দুই দলের পক্ষেই জয়টা সম্ভব।

শেষ বলে ৫ রানের সমীকরণ মেলাতে ওয়েনের অফ স্টাম্পের বাইরের বলটা এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে খেলার চেষ্টা করলেন কার্টরাইট। তবে উড়িয়ে মারতে না পারায় এক রানের বেশি পাননি তিনি। শ্বাসরুদ্ধকর নক আউট ম্যাচে ৩ রানের জয় পেয়েছে হোবার্ট হারিকেন্স। এমন জয়ে ফাইনালের উঠতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন রিশাদ হোসেনরা। চ্যালেঞ্জারে তাদের প্রতিপক্ষ সিডনি সিক্সার্স।

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে স্টার্স প্রথম দুই ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ৯ রান তুলতেই নিনজা স্টেডিয়ামে বৃষ্টি হানা দেয়। যার ফলে ১০ ওভারের ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয় ৭ ওভারে। স্টার্সের লক্ষ্য তাড়ায় ৮৫ রান। ওই সময় ৩০ বলে প্রয়োজন ছিল ৭৬ রান। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে আনা হয় রিশাদকে। সেই ওভারে এক ছক্কায় ১৩ রান খরচা করেছেন তিনি।

পঞ্চম ওভারে ১৭ বলে ৩১ রান করা জো ক্লার্ককে ফেরান মেরিডিথ। পরের ওভারে আবারও বোলিংয়ে এসে এক ছক্কায় ১১ রান দিয়েছেন। সব মিলিয়ে দুই ওভারে ২৪ রান খরচায় উইকেটশূন্য ছিলেন। শেষ ওভারে ২৬ রান প্রয়োজন হলেও সেই সমীকরণ মেলাতে পারেনি স্টার্স। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলদের ৮১ রানে আটকে দিয়ে ৩ রানের জয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে টিকে রইলেন রিশাদরা।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ১০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান তোলে হোবার্ট। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন বেউ ওয়েবস্টার। এ ছাড়া নিখিল চৌধুরি ১১ বলে ২৪ ও টিম ইয়ার্ড ১০ বলে ১০ রান করেছেন। স্টার্সের হয়ে দুইটি উইকেট নিয়েছেন হারিস রউফ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন স্টইনিস, ম্যাক্সওয়েল ও টম কারান।

আরো পড়ুন: