এর খানিক পরেই বাংলাদেশ ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন এই বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করেছেন। না হলে সবধরনের ক্রিকেট বন্ধ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। রাত সাড়ে নয়টায় মিঠুনের এমন বক্তব্যের পরই আলোড়ন পড়ে যায় দেশের ক্রিকেট আঙ্গনে।
এমন বক্তব্যের এক ঘন্টা পরই মিঠুনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ছুটে যান বিপিএল গভার্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচীব ইফতেখার রহমান মিঠু। প্রায় ঘন্টাখানেকের মতো কোয়াব প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ করেন মিঠু। সেখানে মিঠুনকে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় দ্রুতই নাজমুল ইসলামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বিসিবি। তবে বিপিএলের ম্যাচ যেন ক্রিকেটাররা বয়কট না করেন তা নিয়েও অনুরোধ করেন মিঠু। সেই সঙ্গে বিসিবিতে জরুরী সভা ডাকা হয়েছে, সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে যে নাজমুল থাকছেন কি থাকছেন না। জানা গিয়েছে, ক্রিকেটের স্বার্থে তাকে সরিয়ে দেয়া হবে বলেও মিঠুনকে আশ্বাস দিয়েছেন ইফতেখার রহমান।
এদিকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলমে মিঠুন বলেছিলেন, 'আমরা বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে বিভিন্ন সময় আলোচনা করছি। ফার্স্ট ডিভিশন নিয়ে আপনারা জানেন আমরা বোর্ডকে এনাফ সময় দিয়েছি, কিন্তু সেটার বিষয়ে উনারা এখনো কোনো সমাধান করেননি।'
সেই বোর্ড পরিচালকের পদত্যাগ চেয়ে মিঠুন বলেন, 'গত কিছু দিন ধরে আপনারা দেখছেন যে একজন বোর্ড ডিরেক্টর উনি যেভাবে প্লেয়ারদেরকে নিয়ে মন্তব্য করছেন, একজন দায়িত্বরত বোর্ড ডিরেক্টর কখনোই এভাবে প্লেয়ারদের নিয়ে কথা বলতে পারেন না। আমরা দ্রুততার সঙ্গে উনার পদত্যাগ চাচ্ছি।'
সেই পরিচালক পদত্যাগ না করলে সবধরনের ক্রিকেট বয়কটের হুমকি দিয়ে ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে মিঠুন বলেন, 'উনি যদি কালকে ম্যাচের আগে, কালকে বিপিএল-এর ফার্স্ট ম্যাচের আগে যদি রিজাইন না করেন তাহলে আমরা সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধ ঘোষণা করছি।'