সম্প্রতি প্রখর গুপ্তর একটি পডকাস্টে কোহলিকে নিয়ে নিজের সেই প্রথম ধারণার কথা জানিয়েছেন সাউথ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক। মজার বিষয় হলো, কোহলিও তার এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত হবেন বলে মনে করেন ডি ভিলিয়ার্স। তবে সেই ধারণার পেছনে কোহলির আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্বই মূল কারণ ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
কোহলিকে প্রথম দেখায় অহংকারী মনে হয়েছিল কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, 'হ্যাঁ। আমার মনে হয়, সেও এ ব্যাপারে একমত হবে।'
কেন এমন মনে হয়েছিল, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন সাউথ আফ্রিকার সাবেক এই ব্যাটার। তার মতে, কোহলির আত্মবিশ্বাসকে প্রথমে ভুলভাবে বুঝেছিলেন তিনি। ডি ভিলিয়ার্স বলেন, 'ওর মধ্যে আত্মবিশ্বাস ছিল প্রচুর। ও সব সময় এভাবেই ক্রিকেট খেলেছে। কখনো কখনো মানুষ সেটাকে ভুল বোঝে। আমার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল। প্রথম দেখায় ওকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল।'
তবে কোহলির সেই আত্মবিশ্বাসকে নেতিবাচকভাবে দেখেন না ডি ভিলিয়ার্স। বরং বড় ক্রিকেটার হয়ে ওঠার জন্য নিজের সামর্থ্যের ওপর এমন বিশ্বাস থাকা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। ডি ভিলিয়ার্সের ভাষায়, 'বড় সাফল্য পেতে হলে এমন আত্মবিশ্বাস দরকার। নিজের সামর্থ্যের ওপর প্রবল বিশ্বাস থাকতে হবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ শুধু শেখে, কীভাবে সেই আত্মবিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।'
ডি ভিলিয়ার্সের মতে, বয়স ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোহলিও আরও পরিণত হয়েছেন। তরুণ বয়সে নিজেকে প্রমাণ করার যে তাগিদ ছিল, সময়ের সঙ্গে তা কমেছে। তিনি বলেন, 'বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওর সেই ব্যাপারটা কমে এসেছে। মানুষ ও ক্রিকেটার হিসেবে ও আরও পরিণত ও ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে। আমার মনে হয়, তরুণ বয়সে ওর অনেক কিছু প্রমাণ করার ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তাগিদও কমেছে।'
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে একসঙ্গে খেলতে গিয়েই কোহলি ও ডি ভিলিয়ার্সের সম্পর্ক আরও গভীর হয়। সময়ের সঙ্গে প্রথম দেখার সেই ধারণা বদলে গিয়ে তৈরি হয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ঘনিষ্ঠতা। একসময় যাকে অহংকারী মনে হয়েছিল, সেই কোহলিই এখন ডি ভিলিয়ার্সের কাছের বন্ধুদের একজন।