হেডিংলি ও লর্ডসে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টেই বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। প্রথম টেস্ট শেষ হয় তিন দিনে, দ্বিতীয় টেস্টও বৃষ্টির কারণে চতুর্থ দিনে গড়ায়। চার ইনিংসের একটিতেও ২০০ রান পার করতে পারেনি পাকিস্তান। এরপরই সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে তৃতীয় টেস্টের দলে বেশ কিছু তরুণ ক্রিকেটারকে নেয়া হয়।
ডি ভিলিয়ার্স নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, 'বর্তমান পাকিস্তান দলের অনেক খেলোয়াড়কে অতিরিক্ত পরিশ্রম করার জন্য প্রস্তুত মনে হয় না। বিশেষ করে ব্যাটিং বিভাগে। তাদের মধ্যে যথেষ্ট সাহস ও লড়াই নেই। সবকিছু সবসময় সুন্দর হতে হবে এমন নয়। কখনো কখনো পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়, তখন সিদ্ধান্ত নিয়ে লড়াই করতে হয়।'
টেস্ট ক্রিকেটে নিজের অভিজ্ঞতার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, 'আমি যদি নিজের অহংকারের জন্য খেলতাম, তাহলে হয়তো অন্য রকম খেলোয়াড় হতাম। সবসময় ভাবতাম, আজ আমি কতটা সামর্থ্য দেখাতে পারি। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পরিস্থিতি সামলানো আমার চরিত্রেরই পরীক্ষা মনে হতো। পাকিস্তানের এখন সেটাই দরকার।'
সাউথ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়কের মতে, পাকিস্তান দলের বড় ঘাটতি এখন চরিত্র ও নেতৃত্বে। তিনি বলেন, 'টেস্ট ক্রিকেট সবসময় আমার কাছে সামর্থ্যের পরীক্ষা ছিল। এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সেটারই অভাব। চার-পাঁচজন খেলোয়াড়কে একসঙ্গে নেতৃত্ব নিতে হবে। তাদের বলতে হবে, আমরাই নেতা, আমরাই উদাহরণ তৈরি করব এবং তরুণদের দেখাব টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি জিততে কী করতে হয়।'
তবে পাকিস্তানের ব্যর্থতার জন্য শুধু খেলোয়াড়দের দায়ী করছেন না ডি ভিলিয়ার্স। বোর্ডের ঘন ঘন পরিবর্তনকেও বড় কারণ মনে করছেন তিনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের অধিনায়ক ও কোচের দায়িত্বে একাধিক পরিবর্তন এসেছে।
ডি ভিলিয়ার্স বলেন, 'ওপরের দিক থেকেও কিছুটা অব্যবস্থাপনা আছে। অনেক পরিবর্তন, নেতৃত্বে অনেক বদল। বাবর আবার ফিরেছে। আশা করি সে দীর্ঘ সময় সুযোগ পাবে, ফিট থাকবে এবং আমরা যে বাবরকে চিনি, সেভাবেই রান করবে। তার সতীর্থদেরও সেই নেতৃত্ব অনুসরণ করতে হবে।'