গত সপ্তাহে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ের সময় চোট পান গ্রিন। করবিন বশের একটি বল তার এবডোমিনাল গার্ডে আঘাত করার পরও ব্যাটিং চালিয়ে যান তিনি। পরের বলেই ছক্কা মারেন। তবে এরপর পুল শট খেলতে গিয়ে গ্লাভসে লেগে ক্যাচ দেন কুইন্টন ডি ককের হাতে। ওই চোটের কারণে পরে সিএসএ ইনভাইটেশনাল একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচেও খেলেননি তিনি।
প্রথম টেস্টে গ্রিনকে না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড। তবে পুরো সিরিজ থেকে ছিটকে যাননি এই অলরাউন্ডার। চোট থেকে দ্রুত সেরে ওঠার চেষ্টা করছেন তিনি। পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে প্রথম টেস্ট চলাকালে কয়েকটি নেট সেশনে ব্যাটিং-বোলিং করার সম্ভাবনাও রয়েছে তাঁর।
গ্রিনকে নিয়ে ম্যাকডোনাল্ডের আশা, তিন ম্যাচের সিরিজের কোনো এক পর্যায়ে মাঠে ফিরতে পারবেন তিনি। তবে শেষ দুই টেস্টে তাঁর বোলিং করার সম্ভাবনা খুবই কম। চোটটি ক্রিকেটে খুব বেশি দেখা যায় না জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কোচ বলেছেন, গ্রিনের সেরে ওঠার প্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তবে তাঁর ফেরার পথ খোলা রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার জন্য গ্রিনের চোট বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে। আগস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্স করেছিলেন তিনি। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট শতকও পেয়েছিলেন এই অলরাউন্ডার। ফলে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও দলের ভারসাম্য তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনের অনুপস্থিতি প্রথম টেস্টে ভোগাতে পারে অস্ট্রেলিয়াকে।
প্রথম টেস্টের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দলে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের সঙ্গে আছেন স্টিভ স্মিথ, ট্রাভিস হেড, মার্নাস ল্যাবুশেন, জশ হ্যাজেলউড, মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন, স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, ম্যাথু কুহনেমান, বেউ ওয়েবস্টারসহ অন্যরা। জশ ইংলিশ দ্বিতীয় টেস্ট থেকে দলে যোগ দেবেন।
৯ অক্টোবর কিংসমিডে শুরু হওয়ার পর সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ১৮ অক্টোবর গকেবেরহার সেন্ট জর্জেস পার্কে। তৃতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ২৭ অক্টোবর কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে। প্রথম টেস্টে না থাকলেও গ্রিনকে পুরো সিরিজের জন্য বিবেচনায় রাখছে অস্ট্রেলিয়া।