পাকিস্তানের মাটিতে হতে যাওয়া এই ২৫ ম্যাচের মধ্যে রয়েছে পাঁচটি টেস্ট, ১৪টি এক দিনের ম্যাচ ও ছয়টি টি-টোয়েন্টি। এসব ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব থেকে ২১ কোটি রুপি আয়ের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের। কিন্তু দরপত্রে একমাত্র পাকিস্তান টেলিভিশন অংশ নেয়ায় দরদামের সুযোগই পায়নি বোর্ড।
ফলে পাকিস্তান টেলিভিশনের দেওয়া প্রস্তাবেই রাজি হতে হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে। শেষ পর্যন্ত ১২ কোটি টাকায় ২৫ ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যাশার তুলনায় প্রায় ৯ কোটি টাকা কম পাচ্ছে তারা।
এর আগে ২০২৪ সালের অগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬১টি ম্যাচের সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছিল এআরওয়াই ও টাওয়ার স্পোর্টসের সংস্থাগোষ্ঠী। সে সময় প্রায় ৬০ কোটি টাকায় স্বত্ব বিক্রি করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ম্যাচপ্রতি তাদের আয় হয়েছিল প্রায় এক কোটি টাকা।
এবার সেই বাজারও আর থাকল না। সম্প্রচার স্বত্বের জন্য পাকিস্তান টেলিভিশন ছাড়া অন্য কোনো সংস্থা আগ্রহ না দেখানোর পেছনে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক মাঠের পারফরম্যান্সকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চলতি বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি পাকিস্তান, উঠতে পারেনি সেমিফাইনালে।
দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ফল আশানুরূপ নয়। এশিয়ান গেমসে ভারতের কাছেও হেরেছে তারা। একের পর এক ব্যর্থতার কারণে পাকিস্তানের ম্যাচ সম্প্রচারে বাণিজ্যিক আগ্রহ কমেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর সেই কারণেই এবার প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম অর্থে সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।