জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে চার ওভার বোলিং করার পর বাঁ পাশের চোটে মাঠ ছাড়েন এলিস। আর ফিরতে পারেননি নিজের স্পেল শেষ করতে। তার অনুপস্থিতির বড় প্রভাব পড়ে ম্যাচে। শেষ পর্যন্ত ৩৬৫ রান তুলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করে সাউথ আফ্রিকা।
জিম্বাবুয়ে ও সাউথ আফ্রিকা সফরে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে কার্যকর ছিলেন এলিস। চোটের কারণে এখন দেশে ফিরে যাবেন তিনি। সেখানে আরও পরীক্ষা ও পুনর্বাসন চলবে। আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজের আগে ফিট হওয়ার লক্ষ্য তার। এই সফরে সাইড স্ট্রেইনে পড়া দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ান পেসার এলিস; এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চোটে পড়েছিলেন বিলি স্ট্যানলেক।
এলিস ছিটকে যাওয়ায় শেষ ওয়ানডের জন্য অস্ট্রেলিয়ার হাতে থাকছেন মাত্র চারজন ফিট পেসার। প্রথম দুই ম্যাচে না খেলা প্যাট কামিন্স ফিরতে পারেন। দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্রামে থাকা মিচেল স্টার্কেরও খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রথম দুই ওয়ানডে খেলা জশ হ্যাজেলউডকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। জেভিয়ার বার্টলেটও দলে থাকার সম্ভাবনায় এগিয়ে।
এদিকে সফরে একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ না পাওয়া জোয়েল ডেভিসও দেশে ফিরছেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বদলি ফিল্ডার হিসেবে নামার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বিশেষজ্ঞ স্পিনার হিসেবে সফরে যাওয়া ডেভিসকে এখন পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এরপর নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার কথা তার।
সাউথ আফ্রিকায় ওয়ানডে দলে আপাতত নতুন কাউকে যোগ করা হয়নি। প্রথম ওয়ানডেতে আঙুলে চোট পাওয়া জশ ইংলিস টেস্ট সিরিজে ফিরবেন কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়। আগামী ৯ অক্টোবর শুরু হওয়ার কথা সেই সিরিজ। পাশাপাশি ভারত সফররত অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলেও পরিবর্তন এসেছে। ব্রেন্ডন ডগেট, ফার্গাস ও’নিল ও ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে দেশে ফিরছেন; তাদের জায়গায় ওয়ানডে দলে যোগ হয়েছেন রাইলি মেরেডিথ ও উইল সাদারল্যান্ড।