৩৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে দুই রান তোলার পর লাচলান ইয়ামামোটো লেকের উইকেট হারায় জাপান। ৪ বলে ১ রান করেন ইমামামোটো। দ্বিতীয় ওভারে ইব্রাহিম তাকাহাশিকে ফেরান ওয়াশিংটন সুন্দর। এক বাউন্ডারিতে ৪ রান করেন ইব্রাহিম।
এরপর জাপানকে ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন দেখাতে থাকেন অধিনায়ক কেন্ডেল কাদোয়াকি ফ্লেমিং ও বেঞ্জামিন ইটো-ডেভিস। শেষ ওভারে জাপানের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৮ রান। দুটি ওয়াইডে জাপানের কাজ সহজ হয়ে উঠলেও পরে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ওয়াইডের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন। ৩ উইকেটে ৩০ রানে থামে জাপান। ইনিংস সর্বোচ্চ ১২ রান করে ফ্লেমিং। ভারতের হয়ে দুটি উইকেটই নেন সুন্দর।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে ৭ রান তুললেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারায় ভারত। গোল্ডেন ডাক করে ফিরে যান টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা অভিষেক। পরের ওভারেই সাঞ্জু স্যামসনের উইকেটও হারায় ভারত। এরপর ৩ রান করে ফিরে যান টি-টোয়েন্টির বিশ্বসেরা ব্যাটার ইশান কিশানও।
৩ ওভার শেষে ভারতের রান দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১৪ রান। ভেজা মাঠ ও অচেনা উইকেটের কারণে চাপে পড়া ভারতকে কিছুটা লড়াই করার পুঁজি এনে দেন অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। ১ চারে ১২ বলে ১৬ রান করেন ভারত অধিনায়ক। ৪ উইকেটে ৩২ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।
ভারত-জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তিকে সামনে রেখেই বিশেষ এই ম্যাচের আয়োজন করা হয়। এশিয়ান গেমসের আগে ভারতের জন্য এটি ছিল নিজেদের ঝালিয়ে নেবার সুযোগ।