বাবরের নেতৃত্ব নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে বিতর্ক অবশ্য পুরোনো। একবার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর আবারও তাকে টেস্ট দলের নেতৃত্বে ফেরানো হয়। তবে দ্বিতীয় দফায় অধিনায়ক হিসেবে প্রত্যাবর্তনের পর চার টেস্টে তিনটিতেই হেরেছে পাকিস্তান। ইংল্যান্ড সফরে দল পরিচালনা নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
সফরের মাঝপথে সাত ক্রিকেটারসহ প্রধান কোচ ও বোলিং কোচকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্তের বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে দাবি করেছিলেন বাবর। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে ওয়াকার মনে করেন, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বাবরকে না রেখে বরং তাকে নেতৃত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ভাবা প্রয়োজন।
ওয়াকার বলেন, 'ব্যাটসম্যান হিসেবে বাবর অসাধারণ। তার কারিগরি দক্ষতা ও ব্যাটিংয়ের সৌন্দর্য নিয়ে প্রশ্ন নেই। কিন্তু নেতৃত্বের দায়িত্ব এলে সে নিজের ওপর অতিরিক্ত চাপ নিয়ে ফেলে। আমার মনে হয়, তখন তার ব্যাটিংও আগের মতো থাকে না।'
সাবেক এই পেসারের মতে, নেতৃত্বের ভার সামলাতে গিয়ে পাকিস্তান একজন কার্যকর ব্যাটারকেও হারাচ্ছে, 'তাকে নেতৃত্ব দিলে আমরা একজন ব্যাটারকে হারাচ্ছি, কারণ সে এই দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে। একজন অধিনায়ককে মানসিকভাবে শক্ত হতে হয় এবং সতীর্থদের পাশে দাঁড়াতে হয়।'
তবে সংখ্যার হিসাবে বিষয়টি এতটা সরল নয়। টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে বাবরের ব্যাটিং গড় ৫০.৪২, যেখানে নেতৃত্ব ছাড়া ৪২ টেস্টে তার গড় ৩৮.৭৮। ওয়ানডেতেও নেতৃত্বের সময় তার গড় ৬০.৭৬, আর অধিনায়কত্বের বাইরে ৫০.০৭। অর্থাৎ ওয়াকারের বক্তব্যের বিপরীতে পরিসংখ্যান বলছে, অন্তত গড়ের হিসাবে নেতৃত্ব বাবরের ব্যাটিংকে পিছিয়ে দেয়নি।