গত কয়েক বছরে টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে অবনতি হয়েছে পাকিস্তান। শান মাসুদের নেতৃত্বে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে নিজেদের পুরনো জৌলুস হারিয়েছে তারা। পাকিস্তানকে পুরনো জায়গায় ফেরাতে অধিনায়কত্ব থেকে শান মাসুদকে সরিয়ে দেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। যেখানে নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাবরকে। ডানহাতি ব্যাটারের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড সফরে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে পাকিস্তান।
কাউকে দোষারোপ না করলেও বাবরের অধিনায়কত্ব নেওয়া উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ওয়াসিম। পাকিস্তানের সাবেক পেসার বলেন, ‘আমি কাউকে দোষারোপ করতে চাই না এবং আমি ভুলও হতে পারি। কিন্তু আমার মতে বাবরের অধিনায়কত্ব নেওয়া উচিত হয়নি। এসবের কোনো প্রয়োজনই ছিল না।’
প্রথম দুই টেস্ট হারের পর রীতিমতো লঙ্কাকাণ্ড ঘটে গেছে। লর্ডস টেস্টের পর প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও পেস বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে দেয় পিসিবি। পাশাপাশি মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম উল হক ও সালমান আলী আঘাসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে পাঠায় তারা। নতুন পাঁচ ক্রিকেটারকে দলের সঙ্গে যুক্ত করে পাকিস্তান। তাতেও তৃতীয় টেস্টে হার থেকে রক্ষা পায়নি মাইক হেসনের শিষ্যরা।
এ ছাড়া ক্রিকেটারদের ফোন জব্দ করে তদন্তও চালাচ্ছে পিসিবি। তৃতীয় টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে বাবর জানিয়েছিলেন, এত পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দিতে পারবে পিসিবি। টসের সময় আবার যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তখন পাকিস্তানের অধিনায়ক বলেছিলেন, এসব পরিবর্তন নিয়ে তিনি কিছু জানতেন না।
ব্যঙ্গাত্মক সুরে ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘বাবর বলেছিল সে কিছুই জানে না। আপনি যদি না জানেন তাহলে আপনি সেখানে কী করছেন? আপনি কী সেখানে ছোলা বিক্রি করতে গিয়েছিলেন। একজন খেলোয়াড় কিংবা ব্যক্তি হিসেবে আমি বিশ্বাস করি নেতা কিংবা অধিনায়ক হিসেবে আপনি যদি পাশে না দাঁড়ান তাহলে আপনি শতভাগ দিতে পারবেন না।
পাকিস্তানের সাবেক পেসার মনে করেন, তৃতীয় টেস্টে বাবরের শুধুমাত্র একজন ব্যাটার হিসেবে খেলা উচিত ছিল। ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘আমার পরামর্শ হচ্ছে দ্বিতীয় টেস্টের পর বাবরের বলা উচিত ছিল সে শুধু খেলোয়াড় হিসেবে খেলবে।’