টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো উইকেট পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি তারা। সনি বেকারের দারুণ বোলিংয়ে দ্রুত বিদায় নেন লাহিরু উদারা ও কামিল মিশারা। পাথুম নিশাঙ্কা কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ২৪ বলে ৩৬ রান করে ব্রুকের দুর্দান্ত ক্যাচে থামেন তিনি।
নিশাঙ্কার বিদায়ের পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা, দাসুন শানাকাসহ দলের অভিজ্ঞ ব্যাটাররা ব্যর্থ হন। কেবল কামিন্দু মেন্ডিস কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যে খেলে ২৮ বলে ৩৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯তম ওভারের আগেই ১২৪ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।
ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন জেমি ওভারটন। চার ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন এই অলরাউন্ডার। সনি বেকার, জফরা আর্চার ও উইল জ্যাকস নেন দুটি করে উইকেট। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে বড় সংগ্রহ গড়ার কোনো সুযোগই দেয়নি স্বাগতিকরা।
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই আনাইরিন ডোনাল্ডকে হারালেও ইংল্যান্ডের জয়ে কোনো শঙ্কা তৈরি হয়নি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক সিরিজে তিন ম্যাচে ১২, ২১ ও ১৩ রান করেছেন ডোনাল্ড। এরপর জস বাটলার ও ব্রুক মিলে ম্যাচটিকে দ্রুতই একপেশে করে তোলেন।
দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৩৯ বলে ৮৫ রানের জুটি গড়েন বাটলার ও ব্রুক। ২১ বলে ৩৩ রান করে ব্রুক জয় থেকে মাত্র ১৮ রান দূরে থাকতে আউট হন। তবে তার আগেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ইংল্যান্ডের হাতে চলে যায়।
এরপর ঝড় তোলেন বাটলার। ৩০ বলেই ফিফটি পূর্ণ করা এই ব্যাটার শেষ পর্যন্ত ৩২ বলে অপরাজিত ৬২ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও দুটি ছক্কা। ইশান মালিঙ্গার করা ওভারে একটি চার ও দুটি ছক্কা মেরে ৯.৪ ওভারেই ইংল্যান্ডকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।
এই জয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে টানা ১৫ ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়ল ইংল্যান্ড। টেস্ট খেলুড়ে দলের বিপক্ষে টানা জয়ের হিসাবে এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ, পাকিস্তানও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ১৫ ম্যাচ জিতেছিল।