এর কারণে রেলিগেশনের শঙ্কায় পড়ে গেছে দলটি। গত অগাস্টে লেস্টারশায়ার কাউন্টি দল গ্ল্যামারগনের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে মাঠে নেমেছিল। সেই ম্যাচের পিচ নিয়েই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে পিচের নিয়মবিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে তাদের এই মোটা অঙ্কের জরিমানায় পড়তে হয়েছে। সেই সঙ্গে কাটা গেছে পয়েন্টও।
এই ম্যাচে লেস্টারশায়ার ৪২ রানে জয় পায়। এই জয়ের ফলে ১৯ পয়েন্ট যোগ হয়েছিল ক্লাবটির নামের পাশে। এই পয়েন্ট কাটা যাওয়ার সঙ্গে আরও বাড়তি ৮ পয়েন্ট হারাতে হয়েছে তাদের। এই ম্যাচের পিচকে ম্যাচ রেফারি খারাপ আখ্যা দিয়ে রেটিং দিয়েছেন। লেস্টারশায়ার এই বাজে পিচের জন্য গাঙ্গুলীর বায়োপিকের শ্যুটিংকে দায়ী করেছেন।
লেস্টারশায়ারের পিচ প্রস্তুতকারক ক্যালাম লুইউন সিনের শ্যুটিংকে দায়ী করে বলেছেন, 'আগে ব্য়বহৃত পিচই এই ম্যাচে ব্য়বহার করা হয়। ১০ সপ্তাহ আগে দুইটি টি-টোয়েন্টি আয়োজিত হয়েছিল। ম্যাচের আগে এমন অনেক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যার উপর আমার কোনও নিয়ন্ত্রণ ছিল না। যেমন সেই সময় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। পাশাপাশি ম্যাচের ঠিক চারদিন আগে সূচি বর্হিভূত একটি বলিউড সিনেমারও শ্যুটিং হয়েছিল, যার ফলে আমি পিচে কাজ করতে পারিনি। আমায় পিচ কভার বা কোনও কিছুই করতে দেওয়া হয়নি।'
ক্রিকেট রেগুলেটরের তদন্তে দাবি করা হয়েছে সিনেমার শ্যুটিং হয়েছে মাত্র একদিন। এমনকি এই ম্যাচে অসম বাউন্স দেখা গেছে। তাদের তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে লেস্টারশায়ার ইচ্ছাকৃত খারাপ পিচ প্রস্তুত করেননি, তবে যে পিচ তৈরি হয়েছে, তা একেবারেই ঠিকঠাক ছিল না। লেস্টারশায়ারের কাজে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ১০ দিন সময় রয়েছে।
ক্লাবটি ১২ ম্যাচ শেষে ৮৯ পয়েন্ট অর্জন করেছিল। তবে এই জরিমানার পরে হ্যাম্পশায়ারের বিরুদ্ধে তাদের পরবর্তী ম্যাচে ভাল ফলাফল না করলে লেস্টারশায়ারের প্রথম ডিভিশনে টিকে থাকা বেশ কঠিন হয়ে যাবে। ফলে তাদের এখন রেলিগেশন এড়াতে মাঠে নামতে হচ্ছে। তবে আপিলে পর্যাপ্ত যুক্তি উপস্থাপন করে শাস্তি কমানোর সুযোগ রয়েছে।