দিনের শুরুতে মোহাম্মদ আব্বাস ও খুররম শাহজাদ বল হাতে ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের বেশ কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন। তবে জর্ডান কক্স ও জো রুট ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামলে নেন। তৃতীয় উইকেটে দুজনের জুটি একসময় ১৫০ রান পার করে। কক্স ৭৩ রানে আউট হওয়ার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই রুটও ৬৮ রানে ফিরলে ইংল্যান্ড কিছুটা চাপে পড়ে।
ততক্ষণে অবশ্য পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের রান টপকে গেছে ইংল্যান্ড। এরপর হ্যারি ব্রুক ও ড্যান লরেন্সের ব্যাটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে স্বাগতিকরা। ব্রুক মাত্র ৫৫ বলে ফিফটি তুলে নেন। অন্য প্রান্তে লরেন্সও দারুণ সঙ্গ দেন। চতুর্থ উইকেটে দুজন মিলে মাত্র ২৫ ওভারে যোগ করেন ১২০ রান।
ইনিংসের শুরুতেই ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছিলেন ব্রুক। ১ রানে থাকার সময় সালমান আগার হাতে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ক্যাচটি নিতে গিয়ে আঙুলে চোট পান পাকিস্তানের অধিনায়ক। জীবন পেয়ে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন ব্রুক। শেষ পর্যন্ত ৯১ রানে আলি উসমানের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।
এরপর ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। শেষ সেশনের শেষ ঘন্টায় দারুণ বোলিং করে আলি উসমান একে একে ফিরিয়ে দেন লরেন্স, ব্রুক, গাস অ্যাটকিনসন ও অলি রবিনসনকে। এর মধ্যে শেষ দুই উইকেট নেন পরপর দুই বলে। সব মিলিয়ে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি।
লরেন্স ফিফটি করে ফেরেন আলি উসমানের বলে ক্যাচ দিয়ে। এরপর ৯১ রানে থাকা ব্রুক বলের লাইন মিস করে বোল্ড হন। পরের ওভারেই অ্যাটকিনসন ও রবিনসনকে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডের লোয়ার অর্ডারে ধস নামান আলি উসমান।
তবে দিনের শুরুতে দারুণ অবস্থানে থাকা পাকিস্তান পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি। একের পর এক ক্যাচ মিস, ভুল রিভিউ ও বোলারদের নিয়ন্ত্রণহীন বোলিংয়ে বড় লিডের পথ সহজ হয়েছে স্বাগতিকদের । শেষ দিকে আলি উসমানের পাঁচ উইকেট কিছুটা স্বস্তি দিলেও দিন শেষে ১৯৫ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান। তৃতীয় দিন শুরু করবেন জেমি স্মিথ ও জোফরা আর্চার।