‘স্পেশাল ট্যালেন্ট’ খুঁজে বের করতে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফি

গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফি
তামিম ইকবাল, বিসিবি
তামিম ইকবাল, বিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
প্রতিভা খুঁজে বের করতে অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফি আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ২৮ আগষ্ট পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টের প্রথম আসরের। তিন দলের টুর্নােমেন্টের ফাইনাল হবে ৯ সেপ্টেম্বর।

স্কুল ক্রিকেট পেরিয়ে কেউ অনূর্ধ্ব-১৫ আবার কেউ অনূর্ধ্ব-১৬ কিংবা অনূর্ধ্ব-১৭ দলে খেলার সুযোগ পেয়ে থাকেন। তবে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে তাদের জন্য খুব বেশি ভালো টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারে না বিসিবি। এমনকি পর্যাপ্ত বিদেশ সফরের সুযোগও নেই। স্বাভাবিকভাবেই ঢাকা লিগের প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় বিভাগে ম্যাচ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয় তাদের।

কেউ কেউ তো সেভাবে ম্যাচেরও সুযোগ পাননি। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের বাছাই করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় নির্বাচকদের। অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করতে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফি আয়োজন করবে বিসিবি। ফলে যুব বিশ্বকাপ কিংবা এশিয়া কাপের জন্য ক্রিকেটার বাছাইয়ে কাজটা সহজ হবে বোর্ডের জন্য।

অনূর্ধ্ব-১৭ দলের সঙ্গে খেলবে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এমন অবস্থায় যুব বিশ্বকাপের প্রক্রিয়ায় থাকা ক্রিকেটাররাও একটা প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট খেলতে হবে। যেখানে তাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে বিসিবির অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ক্রিকেটারদের বিপক্ষে। তামিম ইকবাল অবশ্য টুর্নামেন্টটি অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ক্রিকেটারদের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‌‌‘অনূর্ধ্ব-১৭ যখন অনূর্ধ্ব-২৩–এর সঙ্গে খেলবে, (অনূর্ধ্ব–১৭–এর জন্য) চ্যালেঞ্জিং হবে। হয়তো খুব কম রানে আউট হয়ে যেতে পারে অথবা খুব ভালোও খেলতে পারে। কিন্তু এই বয়সেই যদি ওদের এই চ্যালেঞ্জটা না দেওয়া যায়, তাহলে ক্রিকেট বোর্ড বা নির্বাচকদের বোঝার কোনো উপায় নেই যে এখানে কোনো স্পেশাল ক্রিকেটার আছে কি না।’

৫০ ওভারের ক্রিকেটে টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে দুবার করে খেলার সুযোগ পাবে। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুইয়ে থাকা দল দুইটি খেলবে ফাইনালে। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে সব ম্যাচ। ছেলেদের পাশাপাশি ভবিষ্যতে মেয়েদের বয়সভিত্তিক দল নিয়েও প্রতি বছর এমন টুর্নামেন্ট করতে চান তামিম।

বিসিবি সভাপতি মনে করেন, এত অল্প বয়সে মিরপুরের মতো স্টেডিয়ামে খেলার সুযোগ পেলে ক্রিকেটারদের পাশাপাশি তাদের পরিবারকেও অনুপ্রাণিত করবে। তামিম বলেন, ‘১৭ বছরের একটা ছেলে মিরপুরে খেলছে, তার মা-বাবা বাসায় বসে খেলা দেখছে, এই অভিজ্ঞতাটাই আমি তাদের দিতে চাই। মূল লক্ষ্য হলো ট্যালেন্ট খুঁজে বের করা এবং আইডেন্টিফাই করা।’

আরো পড়ুন: