ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের সুযোগকে ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন মিলার। ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন পূরণ করতে চান তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিওস্টারকে মিলার বলেন, '২০২৭ বিশ্বকাপ নিয়ে আমি সত্যিই রোমাঞ্চিত। এটা আমার এমন একটি লক্ষ্য, যেটি আমি অর্জন করতে চাই। ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসে একটি ট্রফি জিততে পারলে দারুণ হবে। তাই ওই বিশ্বকাপের দলে থাকতে পারা আমার অন্যতম লক্ষ্য।'
মিলারের আন্তর্জাতিক অভিষেক ২০১০ সালে। এরপর এই প্রথম তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সাউথ আফ্রিকার মাটিতে কোনো পুরুষদের আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজন হতে যাচ্ছে। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ জেতার পর এবারই প্রথম সাউথ আফ্রিকা ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
তবে বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়া যে সহজ হবে না, সেটিও ভালোভাবেই জানেন মিলার। ২০১৫, ২০১৯ ও ২০২৩ সর্বশেষ তিনটি ওয়ানডে বিশ্বকাপেই খেলেছেন তিনি। বর্তমানে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার পরিচিতি বেশি হলেও ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নিতে এখন থেকেই পারফরম্যান্সের দিকে মনোযোগ দিতে চান।
মিলার বলেন, 'এটা কখনোই নিশ্চিত নয়। এখন থেকে বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমার লক্ষ্য থাকবে দলে জায়গা করে নেওয়া এবং যতটা সম্ভব ভালোভাবে অবদান রাখা। ঘরের মাঠে, নিজেদের সমর্থকদের সামনে এবং যে জায়গায় আমি এত বছর ধরে খেলেছি, সেখানে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সত্যিই বিশেষ কিছু হবে। সেই দলের অংশ হতে পারলে দারুণ লাগবে।'
ওয়ানডে বিশ্বকাপে এরই মধ্যে দুটি সেঞ্চুরি রয়েছে মিলারের। ২০১৫ সালে হ্যামিল্টনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবার তিন অঙ্কের দেখা পান বাঁহাতি এই ব্যাটার। এরপর ২০২৩ বিশ্বকাপে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে eventual champion অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।
সাউথ আফ্রিকার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩০০-এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন মিলার। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নিজের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে অবশ্য নির্দিষ্ট কোনো সেঞ্চুরি বা রেকর্ডকে নয়, ম্যাচ শেষ করার দক্ষতাকেই এগিয়ে রাখছেন তিনি।
মিলার বলেন, 'মাঝের সারিতে ব্যাটিং করে ম্যাচ শেষ করার দক্ষতা দিয়ে আমি যে ক্যারিয়ার গড়তে পেরেছি, সেটিই সম্ভবত আমার সবচেয়ে বেশি গর্বের বিষয়।'
এ প্রসঙ্গে মিলার যোগ করেন, 'এটি এমন একটি দক্ষতা, যা আয়ত্ত করতে ও ভালোভাবে রপ্ত করতে অনেক সময় লাগে। আমি এখনো প্রতিনিয়ত শিখছি। তবে এই জায়গায় দীর্ঘ সময় খেলতে পেরেছি এবং বিশেষ করে রান তাড়া করার সময় নিজের ভূমিকা পালন করতে পেরে আমি সত্যিই উপভোগ করেছি।'