২০২৫-২৬ মৌসুমের রঞ্জি ট্রফিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন নবি। ৬০ উইকেট নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রথমবারের মতো রঞ্জি ট্রফি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এরপর জুন-জুলাইয়ে ভারতের ‘এ’ দলের শ্রীলঙ্কা সফরেও নজর কাড়েন এই পেসার। দুটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তার শিকার ছিল ছয় উইকেট। এসব পারফরম্যান্সের পর ভারতের টেস্ট দলে ডাক পাওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল তার মধ্যে।
নবি বলেন, 'হ্যাঁ, আমার প্রত্যাশা ছিল। তবে একজন ক্রিকেটার হিসেবে আপনার মানসিকতা এমন হওয়া উচিত যে আপনার কাজ হলো পারফর্ম করা। বাকিটা যারা দেখার, তারা দেখবে। আমি ভেবেছিলাম, ডাক পেতে পারি।'
২৯ বছর বয়সী এই পেসার জানিয়েছেন, ঘরোয়া ক্রিকেট ও ভারতের ‘এ’ দলের হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাকে বিশ্বাস করতে শিখিয়েছিল যে একদিন জাতীয় দলের দরজা খুলবেই। মূল দলে জায়গা না থাকলেও নিজের কাজ ঠিকভাবে করে যাওয়ার দিকেই মনোযোগ ছিল তার।
নবি আরও বলেন, 'আজ হোক বা কাল, আমি ভারতীয় দলে যোগ দেব- এই বিশ্বাস আমার ছিল। কারণ আপনি যদি বছরের পর বছর ভালো করতে থাকেন, তাহলে একসময় পরিশ্রমের ফল পাবেনই। বোলিং করার সময়ও আমার মানসিকতা একই ছিল। আমার কাজ উইকেট নেয়া, বাকিটা ঈশ্বরের হাতে।'
ভারতের টেস্ট দলে ডাক পাওয়াকে তাই নিজের ও পরিবারের জন্য বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন নবি। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ভারতের সিনিয়র টেস্ট দলে ডাক পাওয়ার কীর্তিও গড়েছেন তিনি, 'যখনই ডাক পাই, ভালো লাগে। আমার পরিবারও খুশি। এর চেয়ে বেশি আর কী চাইতে পারি।'
এদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৬ জুলাই কার্ডিফে চোট পাওয়ার পর থেকে বোলিং করেননি বুমরাহ। ভারতের বোলিং আক্রমণে তার গুরুত্ব এবং আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির কথা বিবেচনায় রেখে তার সুস্থতা এখন দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।