সারাংশের কাছে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার খবরটিও এসেছে একেবারে ভিন্নভাবে। সেদিন সকালে মন্দিরে যাওয়ার পথে গাড়ি চালাচ্ছিলেন সারাংশ। হঠাৎ ফোনে একের পর এক কল ও বার্তা আসতে শুরু করে। গাড়ি থামিয়ে ফোন হাতে নিয়েই জানতে পারেন, ভারতের টেস্ট দলে তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাড়িতে ফিরতেই আবেগে ভেসে যান পরিবারের সদস্যরা।
এ প্রসঙ্গে সারাংশ বলেন, ‘আমি মন্দিরে যাওয়ার পথে গাড়ি চালাচ্ছিলাম। তখন দেখি ফোনে ১০-১২টি মিসড কল আর অনেক বার্তা। ক্রিকেট খেলা এক বন্ধু ফোন করে আমাকে অভিনন্দন জানাল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কিসের জন্য? সে বলল, দল ঘোষণা হয়েছে। '
'আমি অবাক হয়ে বললাম, এত সকালে কি দল ঘোষণা হয়? এরপর সে তালিকা পাঠাল। আমি গাড়ি থামিয়ে দেখলাম, সত্যিই আমার নাম আছে। অনুভূতিটা ছিল অসাধারণ। ২৬ বছরের কঠোর পরিশ্রম আর শৃঙ্খলার ফল এটা। বাড়ি ফিরে দেখি বাবা, মা, বড় ভাই, স্ত্রী সবার চোখে আনন্দের অশ্রু।’
৩৩ বছর বয়সে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়াকে বয়সের সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখছেন না সারাংশ। তার বিশ্বাস, আধুনিক ক্রিকেটে ফিটনেস ও ফিল্ডিংয়ের মান এতটাই উন্নত হয়েছে যে বয়স বড় কোনো বাধা নয়।
তিনি বলেন, ‘বয়স আসলে শুধু একটা সংখ্যা। এখনকার ফিল্ডিংয়ের মান এত উঁচু যে মাঠে বয়স বোঝা যায় না। আমার বিশ্বাস ছিল, এবার না হলেও এক-দুই বছরের মধ্যেই ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ পেতাম। আমি নিশ্চিত ছিলাম, একদিন না একদিন জাতীয় দলে জায়গা হবেই।’