১৬ জুলাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে খেলেছিলেন বুমরাহ। তবে ফিল্ডিং করার সময় হাঁটুর চোটে পড়েছিলেন তিনি। এমন অবস্থায় লর্ডসে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে খেলতে পারেননি ডানহাতি এই পেসার। জানা গেছে, ইংল্যান্ড সিরিজ শেষে হাঁটুর চোটের জন্য ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়েছে।
পাশাপাশি বুমরাহর জন্য লং টার্ম ফিটনেস পরিকল্পনাও সাজিয়েছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) মেডিকেল বিভাগ। চলতি সপ্তাহে বেঙ্গালুরু সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পৌঁছেছেন বুমরাহ। ধারণা করা হচ্ছে, এখনই বোলিংয়ে ফিরলে ডানহাতি পেসারের ইনজুরি আরও গুরুতর হতে পারে। এমন ভাবনা থেকেই শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছেন না তিনি।
বুমরাহ না থাকায় ভারতের টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন নবী। রঞ্জি ট্রফির সবশেষ আসরে জম্মু ও কাশ্মীরকে চ্যাম্পিয়ন করতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। ডানহাতি পেস বোলিংয়ে ১০ ম্যাচের ১৭ ইনিংসে ১২.৫৬ গড়ে ৬০ উইকেট নিয়ে ছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। গত দুই মৌসুমে নিয়েছেন ১০৪ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পর আইপিএলে সুযোগ পান নবী।
যদিও দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সিতে প্রত্যাশিতভাবে পারফর্ম করতে পারেননি ২৯ বছর বয়সী এই পেসার। ধারণা করা হচ্ছিল, ঘরের মাঠে আফগানিস্তান সিরিজে ডাক পাবেন তিনি। তবে নবীকে দলে রাখেননি নির্বাচকরা। কদিন আগে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফর করেছেন। যেখানে দুইটি চারদিনের ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ৬ উইকেট।
প্রথম ম্যাচের প্রথম ইনিংসেই ৫৪ রানে শিকার করেছিলেন ৪ উইকেট। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পাওয়ায় নবীর স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথে। তবে একাদশে সুযোগ পাবেন কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। নবী ছাড়াও ভারতের টেস্ট দলে পেসার হিসেবে আছেন মোহাম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণা ও গুরনর ব্রার। প্রথম টেস্ট গলে হওয়ায় সেখানে স্পিনারদের বেশি দাপট দেখা যেতে পারে।
ভারতের টেস্ট স্কোয়াড— শুভমান গিল (অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, ইয়াশভি জয়াসাওয়াল, ঋষভ পান্ত, সাই সুদর্শন, ধ্রুব জুরেল, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, মানব সুথার, আকিব নবী, মোহাম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণা, গুরনর ব্রার, দেবদূত পাডিকাল এবং সারানশ জৈন।