জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন শরিফুল। তবে চোট পাওয়ায় সেই ম্যাচের পরই জিম্বাবুয়ে ছাড়তে হয় বাঁহাতি এই পেসারকে। হ্যামিস্ট্রিংয়ের চোট নিয়ে দেশে ফেরার এক সপ্তাহ বিশ্রাম নিয়ে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেন। কদিন আগেই বিসিবির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হ্যামস্ট্রিংয়ের গ্রেড-১ এর চোটে ভুগতে থাকা শরিফুলের প্রথম টেস্টে অনেকটা অনিশ্চিত।
চোট থেকে সেরে উঠতে পারলে আগামী ১২ আগষ্টের আশেপাশের সময়ে ফিটনেস পরীক্ষা দেবেন ২৫ বছর বয়সী এই পেসার। প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে অগ্রগতি হওয়ায় লিটন দাসকে প্রথম টেস্টের দলে যুক্ত করেছে বাংলাদেশ। ডানহাতি উইকেটকিপারের মতো দ্রুতই সেরে উঠছেন শরিফুল। তবে পেসার হওয়ায় শরিফুলকে নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না মেডিকেল বিভাগ।
শরিফুলের চোট নিয়ে বাশার বলেন, ‘আমি আশাবাদী। ওর (শরিফুল) অগ্রগতিটাও লিটনের মতো খুব ভালো হচ্ছে। তবে যেহেতু সে একজন পেসার, পেসারদের জন্য তো কাজের চাপ আরেকটু বেশি দিতে হয়। সে কারণে হয়তো লিটনের মতো সিদ্ধান্ত এখনো ওর ক্ষেত্রে নেওয়া হয়নি। তবে আমি আশাবাদী, দ্বিতীয় টেস্টে ওকে মাঠে পেয়ে যাব।’
শরিফুলের মতো চোটে ভুগছেন নাহিদ রানাও। সাইড স্ট্রেইনের গ্রেড-টুতে ভুগতে থাকা পেসারকে পাওয়া যাচ্ছে না পুরো অস্ট্রেলিয়া সফরে। এমন অবস্থায় পেস বিভাগে শক্তি কমেছে বাংলাদেশের। বাশার অবশ্য এসব নিয়ে একদমই চিন্তা করতে চাচ্ছেন না। বরং বর্তমান নিয়েই ভালো করতে প্রত্যয়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচক।
বাশার বলেন, ‘এখন যে দলটা আছে, সেটা নিয়েই আমি আশাবাদী। চোট তো খেলারই অংশ, এটা থাকবেই। কিন্তু যখন একটা দল চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন আসলে কে চোটে পড়েছে, কে থাকলে ভালো হতো, এই চিন্তাগুলো আমরা এখন আর করতে চাই না। আমরা এখন যে দলটা নিয়ে যাচ্ছি, এই দলটাকে নিয়েই ভালো করতে হবে।’