দ্বিতীয় ইনিংসে বাবর আজম ছাড়া আর কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি। ১০৭ বলে অপরাজিত ৫৮ রান করে একাই লড়াই চালিয়ে গেলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। পাকিস্তানের ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান এসেছে ১১ নম্বরে নামা মোহাম্মদ আব্বাসের ব্যাট থেকে। দশম উইকেটে আব্বাসকে নিয়ে বাবর যোগ করেন ৪৯ রান। তবে তাতে কেবল হারের ব্যবধানই কমেছে।
ম্যাচ শেষে বাবর বলেন, ‘হ্যাঁ, ফল আমাদের পক্ষে আসেনি। তবে শেষ দুই দিনে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। কিন্তু আজ ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারিনি। একের পর এক উইকেট হারিয়েছি, আর ব্যাটিং পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।’
চতুর্থ ইনিংসে উইকেটের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বাবর বলেন, শুরুতে নতুন বলে কিছুটা মুভমেন্ট থাকবে, সেটি তারা আগেই অনুমান করেছিলেন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও দারুণ বোলিংয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। পাশাপাশি পাকিস্তান বড় জুট গড়তে না পারায় হারতে হয়েছে বলে দাবি বাবরের।
তিনি যোগ করেন, ‘উইকেট ভালোই ছিল। আমরা জানতাম নতুন বলে কিছুটা মুভমেন্ট থাকবে, এখানকার কন্ডিশনে সেটাই স্বাভাবিক। আমরা সেটার জন্য প্রস্তুতও ছিলাম। কিন্তু তারা খুব ভালো বোলিং করেছে এবং কন্ডিশনের দারুণ ব্যবহার করেছে। চতুর্থ দিনে বল কিছুটা নিচু হয়ে আসছিল এবং অসমান বাউন্সও ছিল। আমরা কোনো জুটি গড়তে পারিনি, আর সেটাই হারের মূল কারণ।’
এই ম্যাচে আঙুলে চিড় নিয়েও ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন পাকিস্তানের ব্যাটার শান মাসুদ। ১৫ বলে ৩ রান করে আউট হন তিনি। বাবরের মতে, মাসুদের ইনজুরিও দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে মাসুদই ছিলেন পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তিনি খেলেছিলেন ১৮৪ বলে ১০৯ রানের ইনিংস।
মাসুদের চোট নিয়ে বাবর বলেন, ‘অবশ্যই এর প্রভাব পড়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তার আঙুলের অবস্থা ভালো নয়। সেখানে ফ্র্যাকচার রয়েছে, তাই তাকে আমরা মিস করেছি। তবে একই সঙ্গে নতুন বল সামলাতে হলে প্রথম ২০ ওভার টিকে থাকতে হয়, জুটি গড়তে হয়। এরপর বল পুরোনো হলে ব্যাটিং তুলনামূলক সহজ হয়ে যায়। আমরা সেই জুটিগুলো গড়তে পারিনি।’