শেষবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শেষ তিন ম্যাচে অপরাজিত ৯৭, ৮৯ ও ৮৯ রানের ইনিংস খেলে আসরসেরা হয়েছিলেন স্যামসন। আইপিএলেও করেছিলেন দুটি সেঞ্চুরি। কিন্তু আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে ৫, ০ ও ১ রানের পর ১৫ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশীকে সুযোগ দেয় ভারত। ফলে ইংল্যান্ড সফরের দলে থাকলেও জিম্বাবুয়ে সফরের দলে জায়গা হয়নি স্যামসনের।
গম্ভীর বলেন, 'সাঞ্জু যে স্পষ্ট বার্তাটা পাওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেটা সে আমার কাছ থেকেই পেয়েছে। আমাদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, সেটা প্রকাশ করার বিষয় নয়। তবে বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সে যা করেছে, তা ছিল অসাধারণ। আবার দলে ফেরার দরজাও তার জন্য বন্ধ নয়।'
দলের নির্বাচন প্রসঙ্গে ভারতের প্রধান কোচ বলেন, 'আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শেষ পর্যন্ত ফলই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যে সমন্বয়কে আমরা সাফল্যের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করি, সেই দলই খেলাই। প্রত্যেককেই নিজের জায়গা অর্জন করতে হয়, ভারতের হয়ে খেলার অধিকারও অর্জন করতে হয়।'
বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও সিরিজসেরা স্যামসনকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্তের পর থেকেই নির্বাচক ও দল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ওপর চাপ বেড়েছে। বিশ্বকাপের পর এখন পর্যন্ত খেলা চারটি পূর্ণাঙ্গ ম্যাচের সবকটিতেই হেরেছে ভারত। এর মধ্যে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ধারাবাহিকতায় হোয়াইটওয়াশের অভিজ্ঞতাও হয়েছে তাদের।
তবে এই ফলকে নতুন দল গঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন গম্ভীর। তার ভাষায়, 'নতুনভাবে দল গড়তে গেলে এমন সময় আসতে পারে। বর্তমান দলে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। নতুনদের সময় দিতে হবে। ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে নামলে তাদের নিজেদের গড়ে তোলার সুযোগও দিতে হবে। একই সঙ্গে ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলার সামর্থ্য বাড়ানোও জরুরি।'
ব্যাটিং নিয়েও নিজের ভাবনা তুলে ধরেন গম্ভীর। তিনি বলেন, 'শুরু থেকেই সবাই যদি বেশি ঝুঁকি নিয়ে খেলতে চায়, তাহলে এমন ফল হতে পারে। অভিজ্ঞ ব্যাটারদের পরিস্থিতি বুঝে ইনিংস গড়ে তোলার দায়িত্ব নিতে হয়। বিশ্বকাপে আমরা সেটাই করতে পেরেছিলাম। এবার সেই ভারসাম্যের অভাব ছিল।'