জয়ের জন্য শেষ চার ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৪৯ রান। তখনও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি তাদের হাতে ছিল না। তবে রবি বিষ্ণই'র এক ওভারে বড় রান তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বেথেল। সেই ওভারে ইংল্যান্ড রানের খাতায় যোগ করে ২৯ রান। শেষ ১০ বলে তিনি করেন ৩৪ রান। চার উইকেটের জয় নিয়ে এক ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ইংল্যান্ড।
বেথেল বলেন, 'এই ইনিংসটিকে আমি আমার সেরা ইনিংসগুলোর একেবারে ওপরের দিকেই রাখব। এর আগে কয়েকটি সেঞ্চুরি করেছি, কিন্তু সেগুলোর বেশির ভাগই হারের ম্যাচে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরেছি, ভারতের বিপক্ষেও হেরেছি। তখন মনে হয়েছে, আরও কিছু করা উচিত ছিল। কিন্তু এবার মাঠ ছেড়েছি হাসিমুখে। আমরা সিরিজে এগিয়ে গেছি, তাই এই ইনিংসের অনুভূতিটা আলাদা।'
শেষ দিকের ব্যাটিং পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। বেথেলের ভাষায়, 'এ ধরনের রান তাড়ায় শুরু থেকে ঝড় তোলা যায় না। তবে কয়েকটি বড় ওভার পুরো ম্যাচ বদলে দিতে পারে। আমার পরিকল্পনা ছিল অন্য প্রান্তের বোলারকে বেশি আক্রমণ করা। কিন্তু পরপর অতিরিক্ত বল পাওয়ার পর বুঝলাম, সুযোগটা কাজে লাগাতেই হবে। এরপর আর পিছু হটিনি।'
ইংল্যান্ড যখন মাত্র দুই রানেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে, তখন ব্যাট করতে নামেন বেথেল। তবে পরিস্থিতি নিয়ে বিচলিত ছিলেন না বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, 'আমি শান্তই ছিলাম। হ্যারি ব্রুক অসাধারণ ব্যাট করেছে। ওর দ্রুত রান করার কারণে আমি সময় নিয়ে নিজের ইনিংস গড়ার সুযোগ পেয়েছি। পরে বড় ওভার পাওয়ার পর গতি বাড়াতে পেরেছি। একজন ব্যাটারের জন্য অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার চেয়ে ভালো অনুভূতি আর নেই।'
এই সিরিজের একদিনের ম্যাচগুলোতে উদ্বোধনী ব্যাটার হিসেবে খেলবেন বেথেল। নতুন দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেন, 'এই জায়গায় আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যাট করিনি। তবে দীর্ঘ সময়ের ক্রিকেট আর ছোট সংস্করণের অভিজ্ঞতা মিলিয়ে নিজের মতো একটি পথ তৈরি করতে চাই। সুযোগটি নিয়ে আমি রোমাঞ্চিত। সঙ্গীর সঙ্গে ভালো জুটি গড়ে দলকে নিয়মিত ভালো শুরু এনে দেয়াই লক্ষ্য।'