স্টোকসের বিদায় এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর ম্যাককালামের কোচিং নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে ২০২৭ সালের অ্যাশেজ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ এই কোচ এখনই দৃষ্টি সরিয়ে নিচ্ছেন ভারতের বিপক্ষে আসন্ন পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দিকে। ১ জুলাই ডারহামে শুরু হবে সেই সিরিজ।
স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাককালাম বলেন, 'ইংলিশ ক্রিকেটের প্রতি আমার উদ্দীপনা এবং অঙ্গীকার কখনোই কমেনি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই দল সঠিক পথেই এগোচ্ছে। আমাদের একটি নিজস্ব পরিচয় আছে, তবে সেটিকে আরও পরিণত ও শক্তিশালী করতে চাই। আমরা এমন একটি দল হতে চাই, যাকে এই দেশের মানুষ গর্বের সঙ্গে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে পারে।'
গত বছরের আগস্টে ভারতের বিপক্ষে ওভাল টেস্টের পর থেকে ইংল্যান্ড নয়টি টেস্টের মধ্যে সাতটিতেই হেরেছে। এমন হতাশাজনক পরিসংখ্যানের মধ্যেও ম্যাককালাম মনে করেন, দলের উন্নতির প্রক্রিয়া এখনো চলছে।
তার মতে, লর্ডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে ১১৫ রানের জয় প্রমাণ করেছে যে ইংল্যান্ড কেবল প্রতিভাবান দলই নয়, আরও পরিণত দল হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে। তবে ওভাল ও ট্রেন্ট ব্রিজে টানা দুই পরাজয় নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন নন তিনি।
ম্যাককালাম বলেন, 'ওভালের ম্যাচটি নানা কারণে কঠিন ছিল। আর ট্রেন্ট ব্রিজে আমরা ভালো একটি নিউজিল্যান্ড দলের কাছে পরাজিত হয়েছি। তারা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'ইংল্যান্ডে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। আমাদের কাজ হলো তাদের সুযোগ করে দেওয়া এবং একই সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে ফলও নিশ্চিত করা।'
আগামী কয়েক দিনে ইংল্যান্ডকে ব্যস্ত সূচির মধ্য দিয়েই খেলতে হবে। টেস্ট সিরিজ শেষ হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টা পরই শুরু হচ্ছে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। স্টোকসের অবসরের পর টেস্ট দলের নেতৃত্ব নেওয়ার জোরালো সম্ভাবনা থাকা হ্যারি ব্রুক ইতোমধ্যে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হিসেবে প্রস্তুতি শুরু করেছেন।
ব্যস্ত সূচি নিয়ে ম্যাককালাম বলেন, 'সূচি বদলানোর সুযোগ নেই। আমাদের সেটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। সৌভাগ্যবশত আমাদের দলে বেশ কয়েকটি ভালো বিকল্প রয়েছে। ডারহামে পৌঁছে আমরা খেলোয়াড়দের কাজের চাপ মূল্যায়ন করব এবং কোন সমন্বয়টি সবচেয়ে ভালো হবে, তা ঠিক করব। এরপর ভারতের বিপক্ষে সিরিজের জন্য পরিকল্পনা সাজিয়ে মাঠে নামব।'