প্রথম দিন ৩১৭ রানের উদ্বোধনী জুটিতে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় দিন চার উইকেটে ৩৬১ রান নিয়ে খেলতে নেমে শুরুতে আর কোনো ধাক্কা না খেলেও পরে দ্রুত ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং। শেষ পর্যন্ত ১২১ রানের মধ্যে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৪৩৮ রানে থামে সফরকারীদের প্রথম ইনিংস।
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং ধসে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন স্টোকস। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও ধারাবাহিকভাবে আক্রমণাত্মক বোলিং করে ৭০ রানে চার উইকেট শিকার করেন তিনি। দিনের প্রথম চল্লিশ মিনিটে কোনো সাফল্য না পেলেও পরে তার টানা আট ওভারে আসে তিনটি উইকেট।
স্পিনার শোয়েব বশির একটি ওভারেই তুলে নেন দুটি উইকেট। আর পেসার জফরা আর্চার শিকার করেন একটি উইকেট। আর্চারের একটি বাউন্সারে মাথায় আঘাত পান ব্লেয়ার টিকনার। পরে চোটের কারণে ম্যাচ থেকে ছিটকে যান তিনি।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিংয়ে টম ব্লান্ডেলের ৩০ রান ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো অবদান রাখতে পারেননি অন্য কেউ। ফলে প্রথম দিনের দাপুটে অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় সফরকারীরা।
৪৩৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি ইংল্যান্ড। দলীয় কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই ফিরে যান এমিলিও গে। তবে এরপর বেন ডাকেট ও জ্যাকব বেথেল দুর্দান্ত জুটিতে চাপ সামলে নেন। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনে যোগ করেন ১৭৯ রান।
ডাকেট খেলেন অনবদ্য এক ইনিংস। মাত্র ৮৮ বলে শতক পূর্ণ করা এই বাঁহাতি শেষ পর্যন্ত ৯৯ বলে ১৯টি চার মেরে ১১৩ রান করেন। টেস্টে এটি তার সপ্তম শতক। দীর্ঘ ২১ ইনিংস পর তিন অঙ্কের দেখা পেলেন তিনি। শেষবার শতক করেছিলেন গত বছরের জুনে ভারতের বিপক্ষে লিডস টেস্টে।
ডাকেটকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ন্যাথান স্মিথ। তবে দিনের বাকি সময় জো রুটকে সঙ্গে নিয়ে নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দেন বেথেল। ১২৮ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকা এই ব্যাটারের সামনে তৃতীয় দিনে শতক পূরণের সুযোগ রয়েছে।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে দুই উইকেটে ২২৩ রান তুলেছে ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে তারা এখনও ২১৫ রানে পিছিয়ে থাকলেও হাতে রয়েছে আটটি উইকেট।