দিনের শুরুটা বেশ ভালো হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের । উদ্বোধনী জুটিতে জন ক্যাম্পবেল ও ব্র্যান্ডন কিং প্রথম ঘণ্টাটি নির্বিঘ্নে পার করেন এবং ৫৮ রানের জুটি গড়েন। এরপর মিলান রত্নায়েকে কিংকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙলেও ক্যাম্পবেল কাভেম হজকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। মধ্যাহ্ন বিরতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৮৯ রান।
তবে বিরতির পর ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। সেশন শুরুর দিকেই সোনাল দিনুশার বলে বিদায় নেন ক্যাম্পবেল। এরপর হজ, জশুয়া দা সিলভা ও জাস্টিন গ্রিভস সবাই ভালো শুরুর আভাস দিলেও বড় ইনিংসে রূপ দিতে পারেননি। দা সিলভার সঙ্গে জাঙ্গু ৫২ রানের জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও দুর্দান্ত এক স্পেলে সেই জুটি ভেঙে দেন আসিথা ফার্নান্দো। ১৮ ওভারে মাত্র ২৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নেওয়া এই পেসারের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্বিতীয় সেশনে ৭৯ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টেনে নেওয়ার সুযোগ পায় শ্রীলঙ্কা।
কিন্তু এরপরই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জাঙ্গু ও অধিনায়ক রস্টন চেজ। দুজনে মিলে ২০৩ বল খেলে পুরো শেষ সেশন নির্বিঘ্নে পার করেন। এই সময়ে তারা অবিচ্ছিন্ন ১০৩ রানের জুটি গড়ে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।
দিনের শুরুতেই হ্যামস্ট্রিং সমস্যায় পড়ে মাঠ ছেড়ে যান শ্রীলঙ্কার পেসার লাহিরু কুমারা। এক বোলার কম নিয়ে খেলতে হওয়ায় শেষ সেশনে আক্রমণে ধার হারায় সফরকারীরা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাঙ্গু ও চেজের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে লিডের খুব কাছে ক্যারিবীয়রা। প্রথম ইনিংসে শ্রীলংকার করা ৩০৮ রানের চেয়ে ৩৭ রান পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করবে স্বাগতিকরা।