টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই ওপেনার। প্রথম সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০৮ রান তোলে সফরকারীরা। লাথাম ৬৫ বলে ফিফটি করে পরে ১৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। অন্যদিকে মধ্যাহ্ন বিরতির পর ১৭৪ বলে অষ্টম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন কনওয়ে। শেষ পর্যন্ত ২১৪ বলে ১৫ চার ও ১৫১ রান করেন লাথাম, আর ২২৪ বলে ২২ চার ও ৩ ছক্কায় ১৫৭ রান করেন কনওয়ে।
এই ৩১৭ রানের জুটি শুধু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ জুটিই নয়, দুই দলের টেস্ট ইতিহাসেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর চেয়ে বড় জুটি আছে কেবল ১৯৬৫ সালে লিডসে জন এডরিচ ও কেন ব্যারিংটনের ৩৬৯ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। অবশ্য ৭১ রানে কনওয়ে ভাগ্যের সহায়তাও পেয়েছিলেন।
শোয়েব বাশিরের বলে এলবিডব্লিউ হলেও ইংল্যান্ড রিভিউ না নেওয়ায় বেঁচে যান তিনি। দিনের প্রথম ৭২ ওভারে কোনো উইকেটই নিতে পারেনি ইংল্যান্ড। তবে নতুন বল হাতে পাওয়ার পর দ্রুত ম্যাচে ফেরে স্বাগতিকরা। সাত বলের মধ্যে বেন স্টোকস ও জো রুট ফিরিয়ে দেন ল্যাথাম ও কনওয়েকে।
স্টোকসের শর্ট বলে কিপারের হাতে ধরা পড়েন লাথাম, আর রুটকে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন কনওয়ে। এরপর রাচিন রবীন্দ্র ও হেনরি নিকোলস ইনিংস গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলেও দিনের শেষ ভাগে পরপর দুই ওভারে দুজনকেই হারায় নিউজিল্যান্ড। ফলে দারুণ শুরুর পরও দিন শেষে আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে কিউইদের।
গাস অ্যাটকিনসনের বলে বাজে শটে আউট হন মাত্র ৭ রান করা রাচিন, আর জফরা আর্চারের বলে খোঁচা দিয়ে ফেরেন নিকোলস। যদিও আউট হওয়ার আগে ৪৮ বলে ৩৬ রান তুলে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন তিনি। শেষ বিকেলে চার উইকেট তুলে কিছুটা স্বস্তি পেলেও প্রথম দিনের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি নিউ জিল্যান্ডের হাতেই।