চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আইসিসির আচরণবিধির ২.১০.১০ ধারা ভঙ্গ করেন শহীদি। এই ধারাটি ব্যাটারের ইচ্ছাকৃত বা এড়ানো সম্ভব ছিল এমন আচরণের মাধ্যমে পিচের ক্ষতি করার সঙ্গে সম্পর্কিত। গত ২৪ মাসে এটি শহীদির প্রথম অপরাধ।
১৩১ বলে ১০২ রানের ইনিংস খেলার সময় শহীদিকে দুবার অনানুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করেন আম্পায়াররা। এরপর ৩১তম ওভারে একই ভুল পুনরায় করায় তাকে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। ইনিংসের ৪০তম ওভারের শেষ বলেও তিনি একই অপরাধ করেন।
ফলে ওই ডেলিভারিতে নেওয়া এক রান বাতিল করে দেন অন-ফিল্ড আম্পায়াররা। পাশাপাশি ভারতকে পাঁচ পেনাল্টি রানও দেওয়া হয়।
ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নেওয়ায় শহীদির বিরুদ্ধে আর কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অভিযোগটি এনেছিলেন অন-ফিল্ড আম্পায়ার ক্রিস গ্যাফানি ও রোহান পণ্ডিত, তৃতীয় আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওর্থ এবং চতুর্থ আম্পায়ার বিরেন্দর শর্মা।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, লেভেল-১ অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন শাস্তি হিসেবে তিরস্কার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা ও এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া যেতে পারে।
তবে সেঞ্চুরি করলেও দলের হার এড়াতে পারেননি শহীদি। ম্যাচে ভারত ৯ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় এবং তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয়।