নিউজিল্যান্ডের কাছে ২৫৩ রানে হারের পরপরই শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে আইসিসি। ম্যাচ রেফারিদের এলিট প্যানেলের সদস্য অ্যান্ডি পাইক্রফট এই শাস্তি আরোপ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিং কোটা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হওয়ায় ইংল্যান্ডকে ১২ ওভার পিছিয়ে থাকার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়।
আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ন্যূনতম ওভার রেট বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে প্রতি ওভারের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়। তবে সর্বোচ্চ জরিমানার সীমা ৫০ শতাংশ। সেই নিয়মেই ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির অর্ধেক কেটে নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের খেলার শর্তের ১৬.১১.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত ওভারের ঘাটতির প্রতি ওভারের জন্য একটি করে চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট কাটা হয়। ফলে ইংল্যান্ডের মোট ১২ পয়েন্ট কেটে নেয়া হয়েছে।
এই শাস্তির ফলে ডব্লিউটিসি টেবিলে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট নেমে এসেছে ৩৮-এ। অবস্থান পয়েন্ট টেবিলের সাত নম্বরে থাকলেও তাদের পয়েন্ট শতাংশ (পিসিটি) ৩৪.৭২ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ২৬.৩৮-এ।
ওভালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে নিউজিল্যান্ড দুর্দান্ত দলীয় নৈপুণ্য দেখিয়ে ২৫৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয় এবং তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ফেরায়।
ইংল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জো রুট অভিযোগ স্বীকার করে প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টক ও নীতিন মেনন, তৃতীয় আম্পায়ার রড টাকার এবং চতুর্থ আম্পায়ার গ্রাহাম লয়েড অভিযোগটি দায়ের করেন।